ফরাসি বিপ্লবে ‘দ্য টেনিস কোর্ট শপথ’-এর তাৎপর্য কী ছিল?

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

WBBSE History, Itihas | Farashi Biplob | Question Answer

ফরাসি বিপ্লবে ‘দ্য টেনিস কোর্ট শপথ’-এর তাৎপর্য কী ছিল?

উত্তর:

  • টেনিস কোর্ট শপথ ফরাসি বিপ্লবের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল। 20শে জুন ভার্সাই গ্রাউন্ডে একটি ইনডোর কোর্টের হলে শপথ নেওয়া হয়।
  • সদস্যরা নিজেদের জাতীয় পরিষদ হিসাবে ঘোষণা করেছিল এবং ফ্রান্সের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন না করা পর্যন্ত ছত্রভঙ্গ না হওয়ার শপথ করেছিল যা রাজার ক্ষমতাকে সীমিত করবে।
  • ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি নতুন সংবিধানের খসড়া তৈরি করেছিল যা ফ্রান্স প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

ফরাসি বিপ্লব পরবর্তী ফ্রান্স পুনর্গঠনে, ফরাসি বিপ্লব পরবর্তী ফ্রান্স পুনর্গঠনে নেপােলিয়ন বােনাপার্টের গণমুখী সংস্কার

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বা নাপোলেওঁ বোনাপার্ত (ফরাসি: Napoléon Bonaparte; ১৫ই আগস্ট ১৭৬৯ – ৫ই মে ১৮২১) ছিলেন ফরাসি বিপ্লবের সময়কার একজন জেনারেল। তিনি ফরাসি প্রজাতন্ত্রের প্রথম কনসাল (First Consul) ছিলেন।

তিনি নাপলেয়ঁ ১ নামে ১৮ মে ১৮০৪ থেকে ৬ এপ্রিল ১৮১৪ পর্যন্ত ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন এবং পুনরায় ১৮১৫ সালের ২০ মার্চ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন। তিনি ইতালির রাজাও ছিলেন। এছাড়া তিনি সুইস কনফেডারেশনের মধ্যস্থাকারী এবং কনফেডারেশন অফ রাইনের রক্ষকও ছিলেন।

প্রাক-বিপ্লব ফ্রান্সের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থা;

প্রাক-বিপ্লব: ফ্রান্স ফরাসি বিপ্লব কোনাে আকস্মিক ঘটনা ছিল না। ফরাসি পুরাতন সমাজ ব্যবস্থার মধ্যেই এর প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। পুরাতন সমাজব্যবস্থা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনে উন্নতির কোনাে স্বাদ এনে দিতে ব্যর্থ হয়।

শােষণ নির্যাতন, বঞ্চনা ও হতাশায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ নিমজ্জিত ছিল। সামন্ত সমাজের পক্ষে জনগণকে শােষণ ও দারিদ্র ছাড়া আর কিছুই দেওয়ার ছিল না। ফলে অর্থনীতি পঙ্গু হতে থাকে।

সেই অবস্থায় পরিবর্তনের পক্ষে দার্শনিক ও বুদ্ধিজীবী লেখক সাহিত্যিকগণ জনগণকে সচেতন করার জন্যে তাদের লেখনী চালিয়ে যান। ফ্রান্সে গির্জাকে জনকল্যাণে ব্যবহারের দীর্ঘ দিনের চেষ্টা ব্যর্থ হতে থাকে।

এ সবই পুরাতন রাজনীতি, সমাজ ও দৃষ্টিভঙ্গি। ফরাসি বিপ্লব এ সবই পরিবর্তন করেছে। কীভাবে করছে – তা জানা দরকার। সে সম্পর্কে জানতে হলে পূর্ববর্তী ফরাসি সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং নতুন চিন্তার উন্মেষ কীভাবে ঘটেছিল তা জানা অপরিহার্য।

সামাজিক অবস্থা:

ফ্রান্সসহ ইউরােপের তত্ত্বালীন সমাজ ব্যবস্থাকে পূর্বতন সমাজ’ বলা হয়ে থাকে। বিপ্লব এই পুরাতন ব্যবস্থাকে ভেঙে নতুন সমাজ সৃষ্টিতে অবদান রেখেছিল। পুরাতন ফরাসি সমাজ তিনটি প্রধান সম্প্রদায়ে বিভক্ত ছিল।

পুরাতন বাবস্থায় যাজকদেরকে প্রথম সম্প্রদায়, (First Estate) অভিজাতদের দ্বিতীয় সম্প্রদায় (Second Estate) এবং কৃষক, বুর্জোয়া, বণিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সমাজের অপর গােষ্ঠীসমূহকে তৃতীয় সম্প্রদায় (Third Estate) বলা হতাে।

ফ্রান্সের জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশই ছিল তৃতীয় সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, বাকি মাত্র ৪ শতাংশ ছিল যাজক ও অভিজাত সম্প্রদায়ভুক্ত। তবে দেশের সিংহভাগ সুযােগ-সুবিধা ভােগ করত যাজক ও অভিজাতরা। তারা সকলেই ছিল প্রায় সকল ধরনের কর প্রদান থেকে মুক্ত। গুরুত্বপূর্ণ পদ, সামরিক অফিসারসহ রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বিচার বিভাগীয় এবং রাজস্ব ব্যবস্থার সাথে অভিজাত সম্প্রদায় গভীরভাবে জড়িত ছিল।

এদেরকে অধিকার প্রাপ্ত (Privileged) এবং তৃতীয় সম্প্রদায়কে অধিকারহীন (Non – privileged) বলে অভিহিত করা হতাে।

ফ্রান্সে বিপ্লবের আগে যাজকের সংখ্যা ছিল এক লাখ ত্রিশ হাজার এবং অভিজাত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিল তিন লাখ পঞ্চাশ হাজারের মতাে। ধর্মযাজকদের মধ্যেও কিছু স্তর এবং প্রকারভেদ ছিল। কালাে ও সাদা পােশাকধারী প্রধান এ দুই ভাগে এদেরকে বিভক্ত করা হতাে।

পুরাতন ব্যবস্থার শেষের দিকে কালাে পােশাকধারী যাজকের সংখ্যা ৬০ হাজারে নেমে আসে। এ কারণে যে, এদের ওপর প্রভাবশালী অভিজাতদের খবরদারিত্ব বেড়ে যায়। উর্ধ্বতন যাজকরা অভিজাতদের মতই অতিরিক্ত সুযােগ-সুবিধা ভােগ করতেন।

বিশপ, মঠাধ্যক্ষ এবং ক্যাননের সংখ্যাও ছিল প্রায় ১০ হাজারের মতাে। দেশের সর্বোচ্চ যাজকদের বিশপ বলা হতাে বিপ্লবের আগে ফ্রান্সে ১৩৯ জন বিশপ ছিলেন। নিম্নতর যাজকদের মধ্যে, যেমন কুরে ও ভিকার নামে যারা পরিচিত ছিলেন তারা তৃতীয় সম্প্রদায়ের মতােই অধিকারহীন ছিলেন।

অভিজাতদেরকে গােত্র, সামরিক, নৌ এবং আমলা ইত্যাদি অভিধায় বিভক্ত করা হয়েছিল। গােত্রভুক্ত অভিজতের সংখ্যা ছিল এক লাখ দশ হাজারের মতাে। অপরাপর অভিলাতের সংখ্যা ছিল আড়াই লাখ।

পূর্বতন ব্যবস্থায় কৃষকদের অবস্থা এক রকম ছিল না। তাদের মধ্যেও ছিল নানা স্তরভেদ। কেউ স্বাধীন কৃষক, কেউ সামান্য সমমির মালিক, কেউ প্রজা, ক্ষেতমজুর বা চাষি ছিল।

অথনৈতিক ব্যবস্থা:

আঠারাে শতকে ফ্রান্স ছিল মূলত একটি কৃষিপ্রধান দেশ। ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দের পূর্বমুহূর্তে ফ্রান্সের মােট জনসংখ্যা ছিল দুই কোটি পঞ্চাশ লাখ। এর মধ্যে দুই কোর্টি দশ লাখ যুক্ত ছিল কৃষি কাজের সাথে।

তবে সেই সময়ে ফ্রান্সে কয়েকটি শহর বেশ দ্রুত শিল্প উৎপাদন ও বাণিজ্যের সম্প্রসারণের ফলে ব্যাপক জনবসতিতে ভরে ওঠে। বিপ্লবের প্রাক্কালে প্যারিতে ছয় লাখ, লিওতে এক লাখ পয়ত্রিশ হাজার এবং মার্সেলে নব্বই হাজার ফরাসি নাগরিক বসবাস করত।

ফ্রান্সের জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পের চেয়ে কৃষির অবদানই ছিল বেশি। ১৭৮৯-এ ফ্রালের জাতীয় আয় কৃষি থেকে লাভ করেছে ১,৮২৬ মিলিয়ন লিভ্রা এবং শিল্প থেকে মাত্র ৫২৫ মিলিয়ন লিস্রা। বিপ্লব – পূর্ব ফ্লাপে দুই পদ্ধতির কর ব্যবস্থা চালু ছিল—

১) প্রত্যক্ষ কর ও (২) পরােক্ষ কর

প্রত্যক্ষ করসমূহ হচ্ছে (১) তেই (Taille} – মাের্টি আয়ের দেয় কর। (২) কাপিলাশি (Capitation) – মাথাপিছু নয় বরং উৎপাদনভিত্তিক দেয় কর। (৩) ভাতিয়্যাম (Vingtieme) – স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ওপর প্রদেয় আয়কর।

পনেরতম লুই ১৭৪৯ খ্রিস্টাব্দে এই করর্টি প্রবর্তন করেন। অভিজাতদের একৰ্টি অংশ আংশিকভাবে এই কর প্রদান করলেও যাজক সম্প্রদায় এ কর দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থেকে যায়। পরােক্ষ করসমূহ ছিল মূলত নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্যসামগ্রীর ওপর; যেমন,

(১) গ্যাবেল (Gabelle) : লবণকর-ভয়াবহ এই কর কৃষকদেরকে প্রায় নিঃস্ব করে ফেলে। ফ্রান্সে আইন করা হয়েছিল যে, দুধের শিশু থেকে মৃত্যু পথযাত্রীকেও নির্দিষ্ট মূল্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ লবণ ক্রয় করতেই হবে, তবে স্থানভেদে তাতেও তারতম্য ছিল।

(২) কর্ভি (Corvee) : বিনা পারিশ্রমিকে বাধ্যতামূলক শ্রমদান। সামন্ত প্রভুদের ব্যক্তিগত জমিতে সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে কৃষকদেরকে বিনা পারিশ্রমিকে | বাধ্যতামূলকভাবে এ ধরনের শ্রম প্রদান করতে হতাে।

(৩) এ্যাদি (Aide): ভােগ্যবস্তুর ওপর কৃষকদেরকে কর দানে বাধ্য করা।

(৪) বানালিতে (Banalite) : সামন্ত প্রভুর কৃষিজ যন্ত্রপাতি বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করা এবং এর বিনিময়ে উৎপাদিত ফসলের এক-দশমাংশ চার্জ দিতে বাধ্য থাকা।

ফ্রান্সে ১৭২৫-এ প্রত্যক্ষ কর থেকে খাজনা আদায় হয়েছিল ৮৭.৫ মিলিয়ন লিল্লা। ফলে দেখা যাচ্ছে ফ্রান্সে পরােক্ষ করের আয়া প্রত্যক্ষ থেকে ক্রমেই | বেড়ে চলছিল।

রাজনৈতিক অবস্থা :

পুরাতন ব্যবস্থায় ফ্রান্সের রাজতন্ত্র স্বৈরতান্ত্রিক রূপ ধারণ করে। রাজতন্ত্র ধর্মযাজক ও অভিজাত সম্প্রদায়কে হাতে রেখে দেশের শতকরা ৯৬ জন মানুষকে নির্মমভাবে শশাষণ করতে থাকে।

ধর্ম যাজকরা রাজাকে দেবতার প্রতিনিধি বলে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুযােগ-সুবিধা লাভ করত। এর ফলে রাজার একচ্ছত্র ক্ষমতা রাষ্ট্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিশেষত চতুর্দশ লুই (১৬৪৩-১৭১৫খ্রি.) রাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফ্রান্সে সুসংগঠিত করতে সক্ষম হন।

তিনি ছিলেন চরম স্বৈরাচারী এবং দর্প করে বলতেন, “আমিই রাষ্ট্র” (I am the state)| দেশের আইন প্রণয়ন, প্রশাসন পরিচালনা ও বিচার কার্যে রাজার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

সেনাবাহিনীর সর্বময় ক্ষমতা রাজার হাতে থাকায় যুদ্ধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা রাজার ইচ্ছা – অনিহার বিষয় হয়ে পড়ে। পনেরতম লুই (১৭১৫-১৭৭৪ খ্রি.) এবং ষােড়শ লুই (১৭৭৪-১৭৮৯ খ্রি.) ফ্রান্সের রাজতন্ত্রকে আরাে নিরঙ্কুশ করার ধারা অব্যাহত রাখেন। তবে ষােড়শ লুই শেষ দিকে ফরাসি রাজতন্ত্রে গভীর আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হতে থাকে।

রাজতন্ত্রের সীমাহীন ক্ষমতার কারণেই ১৬১৪ সাল থেকে ফ্রান্সের স্টেটস-জেনারেল নামক সর্বোচ্চ প্রতিনিধি পরিষদ অকার্যকর হয়েছিল। মাঝে মাঝে ধনীদের নিয়ে রাজাগণ বসতেন, সভা করতেন।

অধিকাংশ প্রদেশেই স্থানীয় প্রতিনিধিদের তেমন কোনাে গুরুত্ব দেওয়া হতাে না। প্যারির পার্লামেন্ট এবং রাজকীয় বিচারালয়গুলাে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার কারণে কোনাে স্বাধীন মতামত প্রদান করতে পারত না। রাজার হাতে কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা ন্যস্ত থাকায় দেশের স্থানীয় শাসন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে পড়ে।

কেন্দ্রীয় শাসনে রাজ পরিষদ, এবং ছয় জনের একৰ্তি মন্ত্রিসভা কার্যকর ছিল। সর্বত্রই ব্যক্তিস্বার্থ, | স্বেচ্ছাচার, দুর্নীতি ও অমিতব্যয়িতার বিস্তার ঘটার ফলে পুরাতন ব্যবস্থা মানুষের কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে। ফ্রান্সে অর্থনৈতিক সংকট তীব্রতর হতে থাকে। ১৭৭০ -এর পর থেকে এই অবনতি আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে।

জাতীয় ঋণ ১৭৭৪-এ দেড় বিলিয়ন থেকে ১৭৮৮-এ সাড়ে চার বিলিয়ন লিভ্রায় উন্নীত হয়। ১৭৭৪ সালে বাজেট ঘাটতি ছিল ২৮ মিলিয়ন লিল্লা, ১৭৮৮ সালে তা বেড়ে ১২৬ মিলিয়ন লিভ্রায় দাঁড়ায় (ব্যয় ছিল ৬২৯ মিলিয়ন লিভ্রা, আয় ছিল ৫০৩ মিলিয়ন লিল্লা)।

রাজ পরিবারের ব্যয়ও বেড়ে যায়। রাজার জন্য ছিল ১৮৫৭ টি ঘােড়া, ১৪০০ জন চাকর-চাকরানি। বিভিন্ন প্রদেশে আরও ১২০০ টি ঘােড়া রাজার শিকারের জন্য প্রস্তুত রাখা হতাে। রাজার মৃগয়া | গমনের জানা ছিল ২১৭ টি গাড়ির বহর। বােলতুম লুইয়ের স্ত্রী রাণি মারিয়া আতােয়াত প্রায়ই নতুন নতুন প্রাসাদ তৈরির বায়না ধরতেন।’

এদিকে ১৭৮৮ সালে ফ্রান্সে ব্যাপক শস্যহানি ঘটে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ গভীর অর্থনৈতিক সংকটে নিপতিত হয়। কৃষি উৎপাদন হ্রাস পায়, পশুর মড়ক লেগে কৃষকের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যায়। শহরগুলােতে কাজের সন্ধানে বেকারদের ভিড় জমতে থাকে।

১৭৮৮ – এর তুলনায় ১৭৮৯-তে বিক্ষোভ পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। এসব বিদ্রোহ নির্মমভাবে দমন করা হয়। ফ্রান্স কার্যতই একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখােমুখি এসে দাঁড়ায়। পরিবর্তনের বস্তুগত সকল উপাদানই তখন সমাজ ও রাষ্ট্রে তৈরি হয়েছিল।

এর সাথে বিপ্লবের জন্য যে ব্যাপক চেতনাগত প্রস্তুতির দরকার তাও ফ্রান্সে তৈরি হয়েছিল। ফ্রান্সের দার্শনিক,কবি সাহিত্যিকসহ বুদ্ধিজীবী সমাজ পরিবর্তন তথা বিপ্লবের নতুনচেতনা তৈরিতে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা রাখেন।

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

আরো বিশদে পড়ার জন্য

অল ইন ওয়ান ইতিহাস রেফারেন্স – ক্লাস – IX

অল ইন ওয়ান ইতিহাস রেফারেন্স

ক্লাস – 9 এর জন্য.





ফরাসি বিপ্লব পরবর্তী ফ্রান্স পুনর্গঠনে নেপােলিয়ন বােনাপার্টের গণমুখী সংস্কার

সামাজিক অবস্থা > অথনৈতিক ব্যবস্থা > রাজনৈতিক অবস্থা


আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।