কারক কাকে বলে

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

সূচিপত্র

কারক কাকে বলে

বাক্যে ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্পর্ককে কারক বলে। 

যেমন- আমি তোমাকে বাড়ি যেতে বলেছি। এখানে ‘আমি’ হল কর্তা, ‘বাড়ি’ হল কর্ম ও ‘বলেছি’ হল ক্রিয়া। অর্থাৎ ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক রচিত হয়, তাকে কারক বলে ।

‘কারক’ শব্দটি ভাঙ্গলে পাওয়া যায় কৃ + ণক (অক), এখানে ‘কৃ’ ধাতুর অর্থ হলো করা এবং ‘ণক’ বা ‘অক’ এর অর্থ হলো সম্পাদন। অতএব কারকের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো- যা ক্রিয়া সম্পদান করে। বাক্যের মধ্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, সেই সম্পর্ককে বলা হয় কারক।

বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক, তাকেই বলা হয় কারক।

যেমন – জয়িতা বই পড়ে। এ বাক্যে ক্রিয়াপদ হলো ‘পড়ে’।

কারক কয় প্রকার ও কি কি, কারক কত প্রকার

বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের ছয় প্রকারের সম্পর্ক হয়ে থাকে ভিত্তিতে কারক ছয় প্রকার। যেমন:

১. কর্তৃকারক,
২. কর্মকারক,
৩. করণ কারক,
৪. সম্প্রদান কারক,
৫. অপাদান কারক ও
৬. অধিকরণ কারক

নীচে একটি উদাহরণের সাহায্যে এই সম্পর্কের ব্যাখ্যা দেখানো হলো –

‘ মহারাজ সুব্রত প্রত্যহ সকালে রাজকোষ হতে স্বহস্তে দরিদ্রদেরকে ধন দান করতেন।’

১. কে দান করতেন ? সুব্রত (কর্তৃকারক)

২. কী দান করতেন? ধন (কর্মকারক)

৩. কী দ্বারা দান করতেন? স্বহস্তে (করণ কারক)

৪. কাদের দান করতেন? দরিদ্রদের (সম্প্রদান কারক)

৫. কোথা হতে দান করতেন? রাজকোষ হতে (অপাদান কারক)

৬. কখন দান করতেন? প্রত্যহ সকালে (অধিকরণ কারক)

কারক চেনার সহজ উপায়

ক্রিয়াকে প্রশ্ন যে প্রশ্নগুলেআ করবেন: কে, কারা?, কী, কাকে?, কী দিয়ে?, কাকে দান করা হল?, কি হতে বের হল?, কোথায়, কখন, কী বিষয়ে? কোনটা কোন কারক সহজেই চিনবেন যে কৌশলে তা নিচে দেওয়া হল:-

  • ক্রিয়াকে ‘কে’ দ্বারা প্রশ্নের যে উত্তর পাওয়া যাবে তাই কর্তৃকারক
  • ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দ্বারা প্রশ্নের উত্তরে মা পাওয়া যাবে তাই কর্মকারক
  • ক্রিয়াকে ‘কী দ্বারা প্রশ্নের যে উত্তর পাওয়া যাবে তা করণ কারক
  • ক্রিয়াকে ‘কাকে’ (স্বত্ত্বত্যাগ করে প্রদান) দ্বারা প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যাবে তা সম্প্রদান কারক
  • ক্রিয়াকে ‘কোথা হতে’ প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যাবে তা অপাদান কারক
  • ক্রিয়াকে ‘কোথায়’, ‘কখন’ দ্বারা প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যাবে তাই অধিকরণ কারক

কর্তৃ কারক কাকে বলে, কর্তৃকারক কাকে বলে, করতি কারক কাকে বলে

কর্তার সঙ্গে ক্রিয়ার ক্রিয়া সম্পর্ককে কর্তৃ কারক বলে।

বাক্যে যে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে বলা হয় কর্তা এবং এই কর্তার সঙ্গে ক্রিয়ার যে সম্পর্ক তাকে বলা হয় কর্তৃকারক।

কর্তৃকারক কারকের উদাহরণ

‘উপমা পড়ছে’ এই বাক্যে উপমা হল কর্তা।

ক্রিয়াকে ‘কে’ বা ‘কারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই কর্তৃকারক। সাগর দৌড়াচ্ছে। কে দৌড়াচ্ছে? সাগর। সুতরাং ‘সাগর’ কর্তৃকারক। তারা হাটছে। কারা হাটছে? তারা। “তারা” কর্তৃকারক।

যেমন –

  • দিশা বাড়ি গিয়েছে। 
  • লোকে কত কথা বলে।
  • ঘোড়া গাড়িটি টানছে। 
  • গরুটি ঘাস খাচ্ছে। 

কর্তৃকারক চেনার উপায়

বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক। কে? / কীসে + ক্রিয়া = কর্তৃকারক । (কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)
উদাহরণ- ঘোড়ায় ( কে?) গাড়ি টানে। গরু (কে খায়) ঘাস খায়। পাখি (কীসে?) সব, করে রব।

কর্ম কারক কাকে বলে

কর্মের সঙ্গে ক্রিয়ার সম্পর্ককে কর্ম কারক বলে। 

কর্তা যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকেই বলা হয় কর্মকারক।

ক্রিয়াকে ‘কি’ বা ‘কাকে’ জিজ্ঞেস করে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্ম এবং ক্রিয়া পদের সঙ্গে কর্মের সম্বন্ধই কর্মকারক।

কর্ম কারকের উদাহরণ

সে ফল কিনছে । সে কী কিনছে? ফল। সুতরাং ফল কর্মকারক।

রাজু রীতাকে মারছে। রাজু কাকে মারছে? রীতাকে। রীতা কর্মকারক।

যেমন –

  • অন্ন চাই প্রাণ চাই 
  • শিক্ষক মহাশয় ছাত্রদের বই দিচ্ছে 
  • তুমিও দেশকে ভক্তি করবে 

কর্ম কারক চেনার উপায়

যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্মকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী/ কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্মকারক।  কী? / কাকে? + ক্রিয়া = কর্মকারক। কর্তার কাজ বোঝাবে। . যেমন : অর্থ  অনর্থ (কী?) ঘটায়? ; ডাক্তারকে ( কাকে?) ডাক।

করণ কারক কাকে বলে

কর্তা যার সাহায্যে কার্য সম্পন্ন করে তাকে করণ কারক বলে।

যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।

‘করণ’ শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়। বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কার দ্বারা বা কী উপায়ে জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।

করণ কারকের উদাহরণ

নীলু ফুল দিয়ে ঘর সাজায়। নীলু কী দিয়ে ঘর সাজায়? ফুল দিয়ে সুতরাং ‘ফুল’ করণ কারক।

কাঠুরে কুড়াল দ্বারা গাছ কাটে। কাঠুরে কী দ্বারা গাছ কাটে? কুড়াল দ্বারা। ‘কুড়াল’ করণ কারক।

যেমন –

  • সহস্যে বললেন। 
  • পদ্মার ঢেউয়ে নৌকা দুলছিল। 
  • শীতের ঠান্ডা বাতাসে কাঁপছিলাম। 
  • ব্যবহারে মানুষ চেনা যায়। 

করণ কারক চেনার উপায়

করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। যে উপাদান বা উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদন করা হয়, তাকে করণ কারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে/ কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক।

(কী / কীসের ) দ্বারা? + ক্রিয়া = করণ কারক। যন্ত্র/সহায়/উপায় বা মাধ্যম বোঝাবে। যেমন : ছেলেরা  ফুটবল ( কী দ্বারা?) খেলছে। টাকায় ( কীসের দ্বারা?) বাঘেরদুধ মেলে।পিয়াল কলম দিয়ে লিখছে। (কী দিয়ে লেখে? কলম দিয়ে):করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি

সম্প্রদান কারক কাকে বলে

যার জন্য বা যার উদ্দেশে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেওয়া যায় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। যেমন –

গরীবের মেয়েটিকে ভাত দাও। এই বাক্যে গরীবের মেয়েটিকে সম্প্রদান কারক।

আধুনিক ব্যাকরণবিদেরা সম্প্রদান কারক স্বীকার করতে চান না। তাঁদের মতে এটি কর্মকারকের অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। তবু প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক আছে।

সম্প্রদান কারক চেনার উপায়:

যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেয়া হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। ‘কাকে দান করা হল’ প্রশ্নের উত্তরই হলো সম্প্রদান কারক। কাকে দান করা হল? = সম্প্রদান কারক। স্বত্ব ত্যাগ বোঝাবে।

যেমন :শীতার্তকে ( কাকে দান করা হল? ) বস্ত্র দাও।,  সৎপাত্রে ( কীসে দান?) কন্যা দান করিও।, ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।
(কাকে দান করা হল? ভিখারিকে।): সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি

অধিকরণ কারক কাকে বলে

যে ‘সময়’ বা ‘স্থান’ কে আশ্রয় করে কর্তা তার কর্ম সম্পন্ন বা সম্পাদন করে সেই সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।

অধিকরণ কারকে সর্বদা সপ্তমী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়।

স্থান, বিষয়, সময়, ঘটনা ইত্যাদি বুঝাতে যে কারক ব্যবহার করা হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। 

অধিকরণ কারকের উদাহরণ

যেমন:

  • দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী, ভিক্ষা দেও তারে।
  • নদীতে নৌকা বাঁধা।
  • বসন্তে কোকিল ডাকে।
  • তিব্বতে প্রচুর সন্ন্যাসী আছে 
  • বেলুড় মঠে বেড়াতে গিয়েছিলাম 
  • মিমি আনন্দে হাসতে থাকলো

অধিকরণ কারক চেনার উপায়

প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণের কারক-এর একটি শ্রেণি। বাংলা ব্যাকরণে অধিকরণ কারক এসেছে পাণিনি’র অষ্টাধ্যায়ী অনুসরণে। কখন? /কোথায়? / কীভাবে?/ বিষয়ে? + ক্রিয়া = অধিকরণ কারক। স্থান, কাল,বিষয়, ভাব বোঝাবে।

যেমন : ভোরবেলা ( কখন? ) সূর্য উঠে। সে বাড়ী ( কোথায়? )

অপাদান কারক কাকে বলে

যা থেকে বা যা হতে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় এবং ক্রিয়ার বিচিত্র ভাবের প্রকাশ ঘটে তাকে অপাদান কারক বলে। যেমন –

শায়েলী সেদিন বাড়ি থেকে কলেজ গিয়েছিল। এ বাক্যে ‘যাওয়া’ ক্রিয়া সম্পাদিত হয়েছিল বাড়ি থেকে।

আম হতে গুড় হয়। এই বাক্যে গুড় হওয়ার কাজটি সম্পন্ন হয় ‘আখ’ হতে।

সুতরাং ‘বাড়ি’ ও ‘আখ’ অপাদান কারক।

অপাদান কারকের উদাহরণ

  • আকাশ থেকে বৃষ্টি নেমেছে। 
  • আঁখ থেকে চিনি হয়। 
  • দুধ থেকে দই হয়। 

অপাদান কারক চেনার উপায়

যা থেকে কোন কিছু গৃহীত, বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত, রক্ষিত, ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। অর্থাৎ, অপাদান কারক থেকে কোন কিছু বের হওয়া বোঝায়।  ‘কি হতে বের হল’ প্রশ্নের উত্তরই অপাদান কারক।

( কী/কীসের /কোথা) থেকে? + ক্রিয়া = অপদান কারক। গৃহীত, উৎপন্ন, চলিত, পতিত ইত্যাদি বোঝাবে। যেমন :স্কুল ( কীসের থেকে?) পালিয়ে পণ্ডিত হওয়া যায়না। সরিষা থেকে ( কী থেকে?) তেল হয়। গাছ থেকে পাতা পড়ে। (কি হতে বের হল/ পড়ল? গাছ থেকে): অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি

নিমিত্ত কারক কাকে বলে

বাক্যে ক্রিয়াপদ যার জন্য বা নিমিত্তে কাজ করে, তাকে নিমিত্ত কারক বলে।

নিমিত্ত কারকের উদাহরণ

  • ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও।
  • তিনি সমিতিতে অর্থ দান করলেন। 

কারক ও বিভক্তি, কারক বিভক্তি, কারক বিভক্তি কাকে বলে

কারক কাকে বলা হয়?

কারক শব্দটির অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন কর সংঙ্গ নাম পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক ছয় প্রকার।

যথা- কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণ কারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক এবং অধিকরণ কারক।

বিভক্তি কাকে বলা হয়?

বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে।

যেমন- শিশুটি ছাদে বসে আছে। বাক্যটিতে ছাদে (ছাদ + এ বিভক্তি)।

বিভক্তি প্রধানত দুই প্রকার: যথা- ১. নাম বা শব্দ বিভক্তি ২. ক্রিয়া বিভক্তি

বাংলা শব্দ বিভক্তি সাত প্রকার

বিভক্তির নামবিভক্তি
প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি০, অ, রা, গণ
দ্বিতীয়া বিভক্তিকে, রে
তৃতীয়া বিভক্তিদ্বারা, দিয়া(দিয়ে), কর্তৃক
চতুর্থী বিভক্তিকে, রে, নিমিত্ত, জন্য
পঞ্চমী বিভক্তিহতে (হইতে), থেকে, চেয়ে
ষষ্ঠী বিভক্তির, এর;
সপ্তমী বিভক্তিএ, য়, তে

কারক ও বিভক্তি উদাহরণ, কারক বিভক্তি নির্ণয় করো, কারক ও বিভক্তি নির্ণয়, কারক নির্ণয় উদাহরণ

প্রশ্নঃ ‘বসন্তে ফুল ফোটে’ -‘বসন্তে’ কোন কারক?
উত্তরঃ অধিকরণ কারক

প্রশ্নঃ ছেলেটিকে বিছানায় শোয়াও – ‘ছেলেটিকে’ কোন কর্ম ?
উত্তরঃ প্রযোজক ক্রিয়ার কর্মর

প্রশ্নঃ ‘তিনি চোখে দেখেন না’ -‘চোখে কোন কারক?
উত্তরঃ করণ কারক

প্রশ্নঃ ‘জগতে কীর্তিমান হও সাধনায়।’ -এখানে ‘সাধনায়’ শব্দটি কোন কারক ও কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণকারকে সপ্তমী

প্রশ্নঃ কোনটি সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ ?
উত্তরঃ দীনে দয়া কর

প্রশ্নঃ ‘মাঠে ধান ফলেছে।’ বাক্যে ‘মাঠে’ কোন কারক?
উত্তরঃ স্থানধিকরণ

প্রশ্নঃ ‘কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল’-এ বাক্যে ‘কাননে’ কোন কারক ও বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণে সপ্তমী

প্রশ্নঃ পড়াশোনায় মন দাও বাক্যে পড়াশোনায় শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মে ৭মী

প্রশ্নঃ ডাক্তার ডাক বাক্যে ডাক্তার শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মকারকে শূন্য

প্রশ্নঃ ‘অহঙ্কার পতনের মূল’ -বাক্যে অহঙ্কার শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণে শূন্য

প্রশ্নঃ শহরের লোকেরা গায়ে এসেছে – এ বাক্যে ‘লোকেরা’ কোন কারকে ?
উত্তরঃ কর্তৃকারক

প্রশ্নঃ ‘তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত।’ -এ বাক্যে ‘ব্যাকরণে’ কোন কারক ও কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণ কারকে সপ্তমী

প্রশ্নঃ ‘তিলে তৈল হয়’-এ বাক্যে কোন কারকে কোন বিভক্তি বিদ্যমান?
উত্তরঃ অপাদান কারকে তৃতীয়া

প্রশ্নঃ ‘মেঘে বৃষ্টি হয়’ -এখানে কারক হল-
উত্তরঃ অপাদান

প্রশ্নঃ উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে কোন ধরনের অধিকরণ বলে ?
উত্তরঃ অভিব্যাপক অধিকরণ

প্রশ্নঃ কোনটি অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ?
উত্তরঃ বাবা বাড়ি নেই

প্রশ্নঃ ‘ব্যায়ামে শরীর ভাল হয়’ -বাক্যে ব্যায়ামে শব্দটি কোন কারকে কোন্ বিভক্তি?
উত্তরঃ করণ কারকে সপ্তমী

প্রশ্নঃ টাকায় অসাধ্য সাধন হয়– বাক্যে টাকায় শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণ কারকে সপ্তমী

প্রশ্নঃ আধার শব্দের অর্থ কি ?
উত্তরঃ স্থান

প্রশ্নঃ নিচের কোনটি অভিব্যাপক অধিকরণের উদাহরণ ?
উত্তরঃ নদীতে মাছ আছে

প্রশ্নঃ ‘আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা’ -এ বাক্যে ‘আমারে’ শব্দটির কারক ও বিভক্তি কি?
উত্তরঃ কর্মকারকে দ্বিতীয়া

প্রশ্নঃ কোনটি সম্প্রদানে সপ্তমীর উদাহরণ?
উত্তরঃ অন্ধজনে দেহ আলো

প্রশ্নঃ ‘আরেফ বই পড়ে’ বাক্যে বই শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ কর্মকারকে শূন্য

প্রশ্নঃ ‘বাবাকে বড় ভয় পাই।’ -‘বাবাকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অপাদানে দ্বিতীয়া

প্রশ্নঃ ক্রিয়া পদের সাথে সম্বন্ধযুক্ত পদকে কি বলে?
উত্তরঃ কারক

প্রশ্নঃ শব্দ বিভক্তি কত প্রকার ?
উত্তরঃ ৭ প্রকার

প্রশ্নঃ নীল আকাশের নিচে আমি (রাস্তা) চলেছি একা। চিহ্নিত শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি ?
উত্তরঃ করণে শূন্য

প্রশ্নঃ ‘রাজায় রাজায় লড়াই হয়।’ রাজায় রাজায় পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি হয়?
উত্তরঃ কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি

প্রশ্নঃ ‘আমার গানের মালা আমি করব কারে দান’ মালা শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ করণকারকে শূন্য

প্রশ্নঃ কর্তা যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে বলে –
উত্তরঃ করণকারক

প্রশ্নঃ ‘টাকায় কি না হয়’‘-টাকায়’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ রণে ৭মী

প্রশ্নঃ রুপার থালা সোনার বাটি – এগুলো কোন সম্বন্ধ পদের উদাহরণ ?
উত্তরঃ ও -কারান্ত

প্রশ্নঃ ‘প্রভাতে উদল রবি লোহিত বরণ’ -বাক্যে প্রভাতে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অধিকরণে ৭মী

প্রশ্নঃ আমার যাওয়া হয়নি — বাক্যের আমার কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
উত্তরঃ কর্তায় ষষ্ঠী

প্রশ্নঃ ‘সব ঝিনুকে মুক্ত পাওয়া যায় না’-বাক্যে ঝিনুকে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তরঃ অপাদানে ৭মী

প্রশ্নঃ কোনটি সম্প্রদান কারকের উদাহরণ ?
উত্তরঃ অন্ধজনে দেহ আলো

প্রশ্নঃ ‘বনে ফুল ফোটে’ -‘বনে কোন কারক?
উত্তরঃ অধিকরণ কারক

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

কারক ও বিভক্তি প্রশ্ন উত্তর

Q1. সম্বন্ধ পদ কারক নয় কেন

Ans – সম্বন্ধ পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সরাসরি সম্পর্ক থাকে না। অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে। এই কারণেই সম্বন্ধ পদ কারক নয়, একে অকারক পদের মধ্যে ফেলা হয়।

Q2. কারক শব্দের অর্থ কি

Ans – ‘কারক’ শব্দটির অর্থ, যে কোনো কাজ বা ক্রিয়া সম্পাদন করে। বাক্যে কর্তাই ক্রিয়া সম্পাদন করে। 

Q3. সম্বোধন পদ কারক নয় কেন

Ans – বাক্যে নাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের যে সম্মন্ধ, তাকে কারক বলে। কিন্তু সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদের সঙ্গে বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের কোনো সম্বন্ধ থাকে না। তাই সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ কারক নয়।
হামিদ, তোমার বন্ধুকে দেখছি না কেন?
এই বাক্যে ‘হামিদ’ সম্বোধন পদ এবং ‘তোমার’ সম্বন্ধ পদ। ‘হামিদ’ এবং ‘তোমার’ পদ দুটির সঙ্গে ‘দেখছি’ ক্রিয়াপদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ কারক নয়।

Q4. অনুসর্গ প্রধান কারক কোনটি

Ans – করণ, নিমিত্ত ও অপাদান কারক হল অনুসর্গ প্রধান কারক।

আপনি কি চাকরি খুজঁছেন, নিয়মিত সরকারিবেসরকারি চাকরির সংবাদ পেতে ক্লিক করুন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাড়ার জন্য, ক্লিক করুন। হিন্দিতে শিক্ষামূলক ব্লগ পড়তে, এখানে ক্লিক করুন। এছাড়াও, স্বাস্থ, টেকনোলজি, বিসনেস নিউস, অর্থনীতি ও আরো অন্যান্য খবর জানার জন্য, ক্লিক করুন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।