চিঠি স্বামী বিবেকানন্দের লেখা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নত্তর আলোচনা

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

সূচিপত্র

চিঠি Class 12 গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নত্তর আলোচনা

’ একখানা চিঠি কাল পেয়েছি’ এখানে স্বামী বিবেকানন্দ কার চিঠি পাওয়ার কথা বলেছেন?

উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দ মি ই টি স্টার্ডির কাছ থেকে চিঠি পেয়েছিলেন।

‘কল্যাণীয়া মিস নোবেল’ বলে সম্বোধন করে স্বামী বিবেকানন্দ যাকে চিঠি লিখেছেন তার সম্পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: কল্যাণীয়া মিস নোবেল বলে যাকে সম্বোধন করা হয়েছে, তার সম্পূর্ণ নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল৷

কোথা থেকে স্বামীজি মিস নোবে্লকে পাঠ্য চিঠিটি লিখেছিলেন?

উত্তর: ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে আলমোড়া অঞ্চল থেকে স্বামী বিবেকনন্দ মিস নোবেলকে চিঠি লিখেছিলেন।

“সর্বোপরি তোমার ধমনীতে প্রবাহিত – রক্ত”- এখানে কোন রক্তের কথা বলা হয়েছে?

উঃ এখানে মিস নোবেলের ধমনীতে কেল্টিক জাতির রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে বলা হয়েছে।

“স্টার্ডির একখানি চিঠি কাল পেয়েছি।”—স্টাডি কে?

উত্তর: মি. ই টি স্টার্ডি ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দের একজন ইংরেজ ভক্ত, যিনি স্বামীজিকে ইংল্যান্ডে বেদান্ত প্রচারে সহায়তা করেন |

“ তিনি আমেরিকায় আমার বিশেষ উপকারী বন্ধু ছিলেন” এখানে কার কথা বলা হয়েছে?

উঃ স্বামী বিবেকানন্দ এখানে মিসেস বুলের কথা বলেছেন।

তা তুমি ধারণা করতে পারবে না।—কী ধারণা করতে না পারার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: স্বামীজি মিস নোবেলকে ভারতবর্ষের মানুষের দুঃখ, কুসংস্কার, দাসত্ব প্রভৃতির ব্যাপকতা সম্পর্কে ধারণা করতে না পারার কথা বলেছেন।

‘কর্মে ঝাঁপ দেবার পুর্বে বিশেষ ভাবে চিন্তা কর’– কাকে চিন্তা করার কথা বলা হয়েছে?

উঃ এখানে স্বামী বিবেকানন্দ মিস নোবেলকে বিশেষ করে কর্মের প্রতিকূল দিকগুলির কথা চিন্তা করে দেখতে বলা হয়েছে।

এখন আমার দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে যে— বিশ্বাসটি কী?

উত্তর: স্বামীজির দৃঢ়বিশ্বাস হয়েছে যে, ভারতের কাজে মিস নোবেলের এক বিরাট ভবিষ্যৎ রয়েছে।

ভারতের নারীসমাজের উন্নতির জন্য কেমন ব্যক্তির প্রয়োজন?

উত্তর: ভারতের নারীসমাজের উন্নতির জন্য একজন প্রকৃত সিংহীর মতো তেজস্বিনী নারীর প্রয়োজন।

“তুমি ঠিক সেইরূপ নারী, যাকে আজ প্রয়োজন।”— মিস নোবেলের মধ্যে কোন্ গুণাবলি লক্ষ করে স্বামীজি এ কথা বলেছেন?

উত্তর: মিস নোবেলের শিক্ষা, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা, অসীম ভালোবাসা,দৃঢ়তা ইত্যাদি গুণ লক্ষ করে স্বামীজি এ কথা বলেছেন।

“কিন্তু বিঘ্নও আছে বহু।”— কোন্ কাজে বিঘ্ন আছে?

উত্তর: ভারতবর্ষের, বিশেষত ভারতের নারীসমাজের সার্বিক উন্নয়নের কাজে প্রচুর বিঘ্ন আছে।

“কিন্তু বিঘ্নও আছে বহু।”—বিঘ্নগুলি কী কী?

উত্তর: ভারতবর্ষের দুঃখ, কুসংস্কার, দাসত্ব, জাতিভেদ, অস্পৃশ্যতা ইত্যাদি দেশের উন্নতির কাজে বিঘ্ন হয়ে দাড়াতে পারে।

‘সরাসরি তোমাকে লেখা ভালো’ এখানে তোমাকে বলতে স্বামীজী কাকে বুঝিয়েছেন?

উত্তর: এখানে স্বামীজী মিস নোবেলের কথা বলেছেন।

মিস নোবেল এদেশে এলে নিজেকে কীভাবে দেখতে পাবেন?

উত্তর: মিস নোবেল এদেশে এলে নিজেকে অসংখ্য অর্ধ-উলঙ্গ নরনারীতে পরিবেষ্টিত অবস্থায় দেখতে পাবেন।

শ্বেতাঙ্গরা ভারতীয়দের প্রতি কীরূপ মনোভাব পোষণ করে?

উত্তর: শ্বেতাঙ্গরা ভারতীয়দের প্রতি অত্যন্ত ঘৃণার মনোভাব পোষণ করে৷

মিসেস বুলের বয়স কত?

উত্তর: মিসেস বুলের বয়স প্রায় পঞ্চাশ বছর।

‘চিঠি’ গদ্যাংশে স্বামীজি ভারতবর্ষের জলবায়ু কেমন বলে বর্ণনা করেছেন?

উত্তর: ভারতবর্ষের জলবায়ু অত্যন্ত গ্রীষ্মপ্রধান। এদেশের শীত ইউরোপের গ্রীষ্মের মতো আর দক্ষিণাঞ্চলে সর্বদাই আগুনের হলকা প্রবাহিত হয়।

“তবু আমার যেটুকু প্রভাব আছে”—সেই প্রভাব দিয়ে বক্তা কী করবেন বলেছেন?

উত্তর: বক্তার যেটুকু প্রভাব আছে, তা দিয়ে তিনি ভারতীয়দের উন্নতির কাজে মিস নোবেলকে সাহায্য করবেন বলেছেন।

কর্মে ঝাপ দেওয়ার পরে সাফল্যের পাশাপাশি আর কী কী ঘটার সম্ভাবনা থাকতে পারে?

উত্তর: মানবসেবার কর্মে ঝাপ দেওয়ার পর সে কাজে বিফল হওয়ার এবং কর্মে বিরক্তি আসার সম্ভাবনা-থাকতে পারে।

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

প্রশ্নোত্তর গ্রন্থ

প্রশ্নোত্তর গ্রন্থের রচয়িতা কে

উত্তর: প্রশ্নোত্তর গ্রন্থ স্বামী বিবেকানন্দের লেখা ।

বিবেকানন্দকে স্বামী উপাধি কে দেন

উত্তর: ক্ষেত্রিয় রাজা অজিত সিং বিবেকানন্দকে স্বামী উপাধি দেন ।

স্বামী বিবেকানন্দ সাহিত্য

উত্তর: শুধু কর্মের জগতেই নয় সাহিত্য সাধনার পুষ্টিবিধানের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন নতুন যুগের বাণীবাহক। তাঁর, ‘পরিব্রাজক’, ‘ভাববার কথা’, ‘প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য’ , ‘বর্তমান ভারত’ এর মতো বিভিন্ন প্রবন্ধ আর অজস্র চিঠিপত্রে তাঁর সেই অমোঘ বাণী মুদ্রিত হয়ে আছে। তিনি অনায়াস স্বাচ্ছন্দে বেশির ভাগই চলিত বাংলা গদ্য লিখতেন। তাঁর গদ্য ভাষা থেকে যেন আগুনের স্ফুলিঙ্গের বিচ্ছুরণ হতো। প্রকাশভঙ্গী ,সাবলীলতা ও বক্তব্যের বলিষ্ঠতায় তাঁর প্রতিটি গদ্য রচনা স্বাতন্ত্র্যে চিহ্নিত । তাঁর বহু রচনা ইংরেজি ভাষায় রচিত ।

স্বামী বিবেকানন্দের উপর Frequently Asked Questions

স্বামী বিবেকানন্দ কত সালে ,কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তর: ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের ১২ ই জানুয়ারি উত্তর কলকাতার সিমলাপাড়ার বিখ্যাত দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ ওরফে স্বামী বিবেকানন্দ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ।

স্বামী বিবেকানন্দের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল ?

উত্তর: পিতার নাম বিশ্বনাথ দত্ত এবং মাতা ছিলেন ভুবনেশ্বরী দেবী

নরেন্দ্রনাথ ছোটবেলায় কোন স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন?

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত উত্তর কলকাতার মেট্রোপলিটন স্কুলে নরেন্দ্রনাথ ভর্তি হয়েছিলেন ।

স্বামী বিবেকানন্দ কোন কলেজে দর্শনশাস্ত্র নিয়ে অধ্যয়ন করেছিলেন ?

উত্তর: জেনারেল অ্যাসেম্বলি কলেজ বর্তমানে যা স্কটিশচার্চ কলেজ নামে খ্যাত ,সেখানে দর্শনশাস্ত্র নিয়ে স্বামীজি অধ্যয়ন করেছিলেন ।

স্বামীজি কত খ্রিষ্টাব্দে প্যারিস বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে যোগদান করেন ?

উত্তর: ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে প্যারিসে বিশ্বেধর্ম সম্মেলনে স্বামী বিবেকানন্দ যোগদান করেন।

স্বামী বিবেকানন্দ কার কাছে সন্ন্যাস ব্রতের দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন?

উত্তর: শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের কাছ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ সন্ন্যাস ব্রতের দীক্ষা নিয়েছিলেন।

কত খ্রিষ্টাব্দের স্বামী বিবেকানন্দের মহাপ্রয়াণ ঘটে?

উত্তর: ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জুলাই

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

স্বামী বিবেকানন্দ বাণী ও রচনা (সেট) – 10 খণ্ড – বাংলা

এই ভলিউমগুলিতে আমাদের কাছে কেবল বিশ্বের জন্য একটি সুসমাচারই নেই, বরং তার নিজের সন্তানদের জন্যও রয়েছে, হিন্দু ধর্মের সনদ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, হিন্দুধর্ম নিজেই এখানে সর্বোচ্চ ক্রমে একটি হিন্দু মনের সাধারণীকরণের বিষয় গঠন করে। হিন্দুধর্মের যা প্রয়োজন ছিল তা হল তার নিজস্ব ধারণাকে সংগঠিত করা এবং একত্রিত করা, একটি শিলা যেখানে সে নোঙ্গর করে শুয়ে থাকতে পারে এবং একটি কর্তৃত্বপূর্ণ উচ্চারণ যাতে সে নিজেকে চিনতে পারে।

চিঠি স্বামী বিবেকানন্দের লেখা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নত্তর আলোচনা

কত খ্রিষ্টাব্দের স্বামী বিবেকানন্দের মহাপ্রয়াণ ঘটে?
উত্তর: ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জুলাই


আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।