জলপ্রপাত কাকে বলে, জলপ্রপাত কিভাবে সৃষ্টি হয়, ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

প্রশ্নপত্র

জলপ্রপাত কাকে বলে

নদীর গতিপথে কঠিন ছিল আড়াআড়ি ভাবে অবস্থান করলে নদীর প্রবল স্রোতে কোমলশীলা দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নিচু আর কঠিন শিলা অল্প ক্ষয় হয়ে আড়াআড়ি অবস্থান করে । এর ফলে নদী যখন খাড়া ঢাল বেয়ে নিচে প্রবল ভাবে বেগে প্রবাহিত হয় তখন তাকে জলপ্রপাত বলে ।

পার্বত্য প্রবাহে নদীর গতিপথে কঠিন শিলা ও কোমল শিলা অনুভূমিকভাবে অবস্থান করলে নদীর প্রবল স্রোতের ফলে কোমল শিলা কঠিন শিলা অপেক্ষা দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে খাঁড়া ঢাল সৃষ্টি করে । ফলে নদী ঐ খাঁড়া ঢালের উপর দিয়ে সরাসরি নিচে পড়তে থাকে । একে জলপ্রপাত (Waterfalls) বলে ।

উদাহরণ: পৃথিবীতে মোট ৩৭ টি প্রধান জলপ্রপাতের মধ্যে ভারতে আছে ২ টি । এই দুটি জলপ্রপাত হল সরাবতী নদীতে সৃষ্ট জেরসোপ্পা জলপ্রপাত বা যোগ জলপ্রপাত (উচ্চতা প্রায় ২৫৩ মিটার) এবং কাবেরী নদীর উপর শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত ।

এছাড়াও, পৃথিবীর অন্যান্য প্রধান জলপ্রপাতগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলার রিও কারোনি (Rio Caroni) নদীতে সৃষ্ট অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (উচ্চতা প্রায় ৯৭৯ মিটার) যেটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাত, কানাডার সেন্ট লরেন্স নদীতে সৃষ্ট নায়াগ্রা জলপ্রপাত, আফ্রিকার জাম্বেসী নদীতে সৃষ্ট ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত প্রভৃতি ।

জলপ্রপাতের শ্রেনীবিভাগ

জলপ্রপাতের মোট ১৪টি শ্রেনীবিভাগ আছে:-

  • ১. প্লাঞ্জ জলপ্রপাত
  • ২. রাপিড জলপ্রপাত
  • ৩. ক্যাটারাক্ট জলপ্রপাত
  • ৪. ব্লক জলপ্রপাত
  • ৫. কাসকেড জলপ্রপাত
  • ৬. ধাপ জলপ্রপাত
  • ৭. সেগমেন্ট জলপ্রপাত
  • ৮. বহুশাখা জলপ্রপাত
  • ৯. চুতে জলপ্রপাত
  • ১০. জমাট জলপ্রপাত
  • ১১. পাঞ্চবাওয়াল জলপ্রপাত
  • ১২. পাখা আকৃতি জলপ্রপাত
  • ১৩. অশ্বপুচ্ছ জলপ্রপাত
  • ১৪. মোলিন জলপ্রপাত

জলপ্রপাতের বৈশিষ্ট্য

  • পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত এর সালটো এঞ্জেল জলপ্রপাত ।
  • পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতটি রিও ও কারেনি নদীর উপর অবস্থিত ।
  • পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতটি ৯৭৯ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট ।
  • ভূমি ঢালের হঠাৎ বিশাল পরিবর্তন হয়।
  • কঠিন ও কোমল শিলা আড়াআড়িভাবে অবস্থান করে।
  • জল প্রবল বেগে নিচের দিকে পতিত হয়।
  • জলপ্রপাতের নিচে প্রপাত কূপ সৃষ্টি হয়।

জলপ্রপাত কিভাবে সৃষ্টি হয়

জলপ্রপাত নানা কারনে সৃষ্টি হতে পারে । যেমন –

১.চ্যুতি

নদীর গতিপথে হঠাৎ কোন চ্যুতির সৃষ্টি হলে খাড়া ঢালের সৃষ্টি হয় । আফ্রিকার জাম্বেসী নদীর ওপর জাম্বেসী নদীর জাম্বেসী জলপ্রপাত এইভাবে সৃষ্টি হয়েছে ।

২.লাভাপ্রবাহ

নদীর গতিপথে কথিন লাভাস্তর অবস্থান করলে জলতলের প্রভেদ ঘটে । ফলে জলপ্রপাত সৃষ্টি হতে পারে।

৩. ভূ-আন্দোলন

ভূ-আন্দোলনের ফলে কোন স্থানে খাড়া ঢালের সৃষ্টি হতে পারে । এরুপ স্থানের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হলে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয় ।

৪.ঝুলন্ত উপত্যকা

পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে ঝুলন্ত উপত্যকার সৃষ্টি হয় । ক্যালিফোর্নিয়ার য়োসেমিতি জলপ্রপাত এইভাবে সৃষ্টি হয়েছে ।

৫.মালভূমি প্রান্তভাগ

মালভূমির প্রান্তভাগের খাড়া ঢালে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় । বিহারের সুবর্ণরেখা নদীর উপর হুড্রু জলপ্রপাত এইভাবে সৃষ্টি হয়েছে ।

৭.কঠিন ও কোমল শিলাস্তরের অবস্থান

কঠিন ও কোমল শিলাস্তর পাশাপাশি অবস্থান করলে কোমল শিলাস্তর দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে খাড়া ঢালের সৃষ্টি হয় । আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নায়াগ্রা জলপ্রপাত এইভাবে সৃষ্টি হয়েছে ।

ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত, ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত এর নাম কি, ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত কোনটি

রতের উচ্চতম জলপ্রপাত হলো মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার ভাম্বাবলি ভাজরাই জলপ্রপাত (Bhambavli Vajrai Waterfall)। এই জলপ্রপাতের উচ্চতা ১৮৪০ ফুট (৫৬০ মিটার)। আর কুঞ্চিকল হলো বৃহত্তম জলপ্রপাত।

ভাম্বাবলি ভাজরাই জলপ্রপাত

মহারাষ্ট্রে বহু জলপ্রপাতের আধিক্য লক্ষ্য করা যায় কিন্তু ভাজরাই জলপ্রপাত জনপ্রিয়তার দিক থেকে তাদের সবাইকে হারিয়েছে। এই জলপ্রপাতটির উচ্চতা ১৮৪০ ফুট বা ৫৬০ মিটার হওয়ায় এটি ভারতের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত হিসাবে পরিচিত।

ভাম্বাবলি ভাজরাই জলপ্রপাত সাতারা জেলার পশ্চিম মহারাষ্ট্রে অবস্থিত। এই জলপ্রপাতটির তিনটি ধাপ রয়েছে এবং বারো মাসই জলপ্রপাত প্রবাহিত হয়, বর্ষাকালে বেশি জল প্রবাহিত হতে দেখা যায় জলপ্রপাতে। অনেক স্থানীয় মানুষ, এছাড়াও বহু পর্যটক প্রকৃতির সাথে একান্ত হতে এবং তাদের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে এই জলপ্রপাতটি পরিদর্শন করেন।

ভারতের বৃহত্তম জলপ্রপাত কোনটি

চিত্রকূট জলপ্রপাত, ছত্তিশগড়, এটি ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলার জগদলপুরে অবস্থিত জলপ্রপাত এবং এটি ভারতের বৃহত্তম জলপ্রপাত।

চিত্রকূট জলপ্রপাত

  • ছত্তিশগড়ের চিত্রকুট ওয়াটার ফলসকে নায়াগ্রা জল ওয়াটার ফলস বলেও অভিহিত করা হয়
  • ভরা বর্ষায় এই জলপ্রপাতের সৌন্দর্য দ্বিগুন হয়ে যায়
  • বর্ষাকালে এখানে রীতিমতো শীতের মতো আবহাওয়া থাকে

চিত্রকূট জলপ্রপাত কোন নদীর উপর অবস্থিত

চিত্রকূট জলপ্রপাত (বিকল্প বানান; চিত্রকোট জলপ্রপাত) হল ইন্দ্রবতী নদীতে ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের বাস্তার জেলার জগদলপুরের পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত। এটি জগদলপুরের পশ্চিমে ৩৮ কিলোমিটার (২৪ মাইল) দূরে অবস্থিত।

জলপ্রপাতটির উচ্চতা প্রায় ২৯ মিটার (৯৫ ফুট)। এটি ভারতের সর্ববৃহৎ পতন। বর্ষা মৌসুমে এটির প্রস্থ এবং বিস্তৃত বিস্তারের কারণে এটি প্রায়ই ভারতের নায়াগ্রা জলপ্রপাত বলে পরিচিত।

পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত, পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত কোনটি

পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাতের নাম হলো দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলার অ্যাঞ্জেল প্রপাত। ২৬৪৮ ফিট উঁচু।

ভেনেজুয়েলার ক্যানাইমা জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতটি বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতম জলপ্রপাত। এটি কেরেপাকুপাই মেরি নামেও পরিচিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯৭৯ মিটার বা ৩২১২ ফুট উচ্চতায় এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত। যেহেতু উচ্চতার দিক দিয়ে অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতের চাইতে আরো উচু কোন জলপ্রপাত পৃথিবীতে নেই।

অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবেও স্বীকৃত। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১০ লক্ষ পর্যটক অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতটির বিস্ময়কর রুপ দেখতে ভেনেজুয়েলায় ভ্রমন করেন। বর্ষায় এঞ্জেলস যখন দুইটি ধারায় ভাগ হয়ে নেমে আসে।

অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (স্পেনীয়: Salto Ángel; পিমন ভাষা: Kerepakupai Vená, “সর্বোচ্চ বিন্দু থেকে পড়া”, যার অর্থ “গভীরতম স্থানের জলপ্রপাত”, অথবা Parakupá Vená অর্থ) ভেনিজুয়েলার একটি জলপ্রপাত। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাতর যার উচ্চতা ৯৭৯ মিটার (৩,২১২ ফুট) এবং গভীরতা ৮০৭ মিটার (২,৬৪৮ ফুট)।

জলপ্রপাতটি ১৯৩৭ সালে মার্কিন বিমানচালক জিমি অ্যাঞ্জেল আবিষ্কার করেন। এর পর থেকে তার নামানুসারেই এটির পরিচিতি লাভ করে।

পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত কোনটি

জিম্বাবুয়ে-জাম্বিয়ায় অবস্থিত ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত (উচ্চতাঃ ১০৮ মিটার এবং প্রশস্ততাঃ ১৭০৩ মিটার) পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত। গড় জল প্রবাহের হার ১০৮৮ ঘনমিটার মাত্র।

পৃৃথিবীর অপার এক প্রাকৃতিক বিস্ময় নায়াগ্রা জলপ্রপাত। জল প্রবাহের দিক থেকে নায়াগ্রা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঝরনা। প্রায় ১০ হাজর বছর আগে সৃষ্টি হওয়া এই জলপ্রপাত থেকে প্রতি মিনিটে প্রায় ৪০ লক্ষ ঘনফুট পানি পতিত হয়। প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি লোক এই ঝরনাটি দেখতে আসে।

নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত

নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকার নায়াগ্রা নদীর উপর অবস্থিত। মূলত তিনটি পাশাপাশি অবস্থিত ভিন্ন জলপ্রপাত নিয়ে নায়াগ্রা জলপ্রপাত গঠিত। এই তিনটি জলপ্রপাতের মধ্যে সবচেয়ে বড়টি, হর্স্‌শু ফল্‌স বা কানেডিয়ান ফলস কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক স্টেটের সীমান্তে অবস্থিত।

নায়াগ্রা জলপ্রপাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত। জলপ্রপাতটিতে পৌঁছানো খুব সহজ, কারণ এটি বিমান, সড়ক এবং রেলপথের সাথে ভালভাবে সংযুক্ত। নিকটতম বিমানবন্দরগুলি হল, নিউইয়র্কের বাফেলো নায়াগ্রা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কানাডার ওন্টারিওতে লেস্টার বি. পিয়ারসন্ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত। নায়াগ্রা জলপ্রপাত টরন্টো থেকে ১২৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

নায়াগ্রা জলপ্রপাত, নায়াগ্রা জলপ্রপাত রচনা

পৃথিবীতে এমন অনেক কিছু আছে যা আমাদের অবাক করে। নায়াগ্রা জলপ্রপাত তার মধ্যে একটি। এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত। নায়াগ্রা জলপ্রপাত প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়। এই জলপ্রপাতের নাম শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। নায়াগ্রা জলপ্রপাত সমস্ত প্রকৃতি পিপাসু পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। এখানে গেলে আপনি মনে করতে পারে যে আকাশ বুঝি ভেঙ্গে পড়ছে এবং পৃথিবীর সমস্ত পানি বৃষ্টি আকার ধারণ করে সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে মাটিতে নেমে আসছে। নায়াগ্রা জলপ্রপাত সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর তথ্য নিয়ে আজকের এই আয়োজন।

নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উৎপত্তি

Onguiaahra শব্দ থেকে নায়াগ্রা কথাটির উৎপত্তি যার অর্থ জলরাশির বজ্রধ্বনি। ধারণা করা হয় আজ থেকে প্রায় ১০ হাজার নয়শ বছর পূর্বে এই জলপ্রপতি চিহ্নিত করা হয়েছে। উত্তর আমেরিকার মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী জলপ্রপাত। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের এক-তৃতীয়াংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। একে আমেরিকান ফলস বলা হয়। বাকি দুটি অংশ কানাডায়। এই দুটিকে বলা হয় ‘কানাডিয়ান ফলস’। এর আকৃতি ঘোড়ার খুরের মতো অনেকটা বাঁকা।

জলপ্রপাতটি মূলত তিনটি জলপ্রপাত নিয়ে ঘটিত। সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতটিকে বলা হয় হর্সশু ফলস বা কানাডা ফলস। এটি প্রায় ১৬৭ ফুট উচ্চতা থেকে ২৬০০ ফুট প্রসস্ত হয়ে জলের স্রোত নীচে প্রবাহিত হয়। বলা হয়, নায়াগ্রা জলপ্রপাতের প্রায় ৯০ শতাংশ জল এই কানাডা ফলস দিয়ে পতিত হয়। অন্য দুটির মধ্যে একটি আমেরিকান ফলস, যার উচ্চতা ৭০ ফুট এবং ১৬০০ ফুট চওড়া। অন্যটির নাম ব্রাইডল ভেইল ফলস।

আমেরিকা থেকে জলপ্রপাতটি পিছন থেকে দেখতে হয় এবং কানাডা থেকে সরাসরি সামন থেকে দেখা যায়, ফলে সম্পূর্ণ জলপ্রপাতটি ভালোভাবে দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে কানাডায়। এখানে রংধনু দেখতে আকাশের দিকে তাকাতে হয় না, জলপ্রপাতের জলরাশিতেই পর্যটকরা মুগ্ধ হয়ে রংধনু দেখে থাকে। এখানে প্রতি বছর প্রায় ৩০ মিলিয়ন পর্যটক ভ্রমণ করে থাকেন।

বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে এই মনোরম জলপ্রপাতটি পরিদর্শনের সেরা সময়। এখানে রয়েছে প্রজাপতি ভাণ্ডার, যেখানে দুই হাজারেরও বেশি প্রজাতির প্রজাপতি রয়েছে।  আরও রয়েছে নায়াগ্রা অ্যাকোরিয়াম, মিউজিয়াম, নায়াগ্রা অ্যাডভেঞ্চার থিয়েটার এবং ওয়ার্লপুল স্টেট পার্ক।

নায়াগ্রা জলপ্রপাতের সৃষ্টির ইতিহাস

নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উৎপত্তির ইতিহাস বেশ আকর্ষণীয়। নায়াগ্রা নদীর বয়স প্রায় ১২০০ বছর। তারও আগে, প্রায় ১৮০০ বছর পূর্বে, তখন ওন্টারিওর ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ অংশ বরফে ঢাকা ছিল। সময়ের সাথে সাথে গ্রীষ্মমন্ডলীয় পরিবর্তনের ফলে বরফ গলতে শুরু করে।

তখন গ্রেট লেকস বেসিনে প্রচুর জল জমতে থাকে এবং ইরি হ্রদ, নায়াগ্রা নদী এবং ওন্টারিও হ্রদের জল একসাথে মিশে এই বিশাল জলপ্রপাতটি তৈরি করে। আপনি যখন জলপ্রপাতের দিকে তাকাবেন তখন এর বিশালতা ও পানি আছড়ে পড়ার শব্দে আপনার বুক কেঁপে উঠবে, তার পরেও আপনি এর মনোমুগ্ধকর আকর্ষণকে উপেক্ষা করতে পারবেন না।  এই আকর্ষণই অ্যাডভেঞ্চার-প্রেমীদের নায়াগ্রা স্পর্শে বারবার নিয়ে আসে। 

নায়াগ্রা জলপ্রপাত প্রকৃতির এক অসীম সৃষ্টি। ১৬৭ ফুট উঁচু এই জলপ্রপাত থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৬৪ হাজার ৭৫০ ঘনফুট পানি নদীতে পড়ে। মেড অফ দ্য মিস্ট’ বোটটি পর্যটকদের নায়াগ্রার অপার সৌন্দর্যের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য জলপ্রপাতটিতে সর্বদা অপেক্ষা করে। এই বোটে করে আপনি জলপ্রপাতটিকে আরো কাছ থেকে দেখতে পারবেন। এখানে ঝরে পড়া জলপ্রপাতের গর্জন কানে সুরেলা সঙ্গীতের মতো শোনায়। সামগ্রিকভাবে, জলপ্রপাতটি বিস্ময় এবং রোমাঞ্চের এক সম্ভার।

নায়াগ্রা জলপ্রপাত ছবি

নায়াগ্রা জলপ্রপাতের বৈশিষ্ট্য কি

নায়াগ্রা জলপ্রপাতের সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের বৈশিষ্ট্যে এখানে।

সাধারণত পাহাড় থেকে জলের পতনেই সৃষ্টি হয় জলপ্রপাতের। অথচ অবিশ্বাস্যভাবে নায়াগ্রা জলপ্রপাত পাহাড় থেকে নামেনি। খরস্রোতা একটি নদীর জল নদীর সমান চওড়া একটি ফাটলের গহ্বরে পতিত হয়ে নায়াগ্রার উৎপত্তি। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বিস্ময়।

নায়াগ্রা জলপ্রপাতের বিশেষত্ব কী

নায়াগ্রা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ জলপ্রপাত। সাধারণত জলপ্রপাত পাহাড় থেকে নামে। কিন্তু বিস্ময়করভাবে নায়াগ্রা জলপ্রপাত পাহাড় থেকে নামেনি। সমতলের ওপর দিয়ে বয়ে চলা খরস্রোতা একটি নদীর মাঝখানে হঠাৎ ফাটল। সেই ফাটলে পানি পতিত হয়েই জলপ্রপাতটি সৃষ্টি হয়েছে। আবার ওই ফাটলের ভেতর পানি পড়ে কোথায় যাচ্ছে তাও কেউ জানে না। এখানেই নায়াগ্রার বিশেষত্ব।

শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত কোন নদীতে অবস্থিত

শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত কাবেরী নদীতে অবস্থিত।

কাবেরী নদী ভারতের অন্যতম প্রধান নদী। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী এই নদী পবিত্র। কর্ণাটক রাজ্যের কোড়গু জেলায় অবস্থিত পশ্চিমঘাটের তালকাবেরী নামক স্থানে এই নদীর উৎপত্তি। অতঃপর দক্ষিণ ও পূর্বে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ু রাজ্যদ্বয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দাক্ষিণাত্য মালভূমির দক্ষিণ-পশ্চিম নিম্নভূমি হয়ে দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত হয়ে এই নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

কাবেরী নদী অববাহিকার আয়তন ২৭,৭০০ বর্গমাইল। এর উপনদীগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য শিমসা নদী, হেমবতী নদী, অর্কবতী নদী, হোন্নুহোল নদী, লক্ষণতীর্থ নদী, কাম্বিনী নদী, ভবাণী নদী, লোকপাবনী নদী, নয়াল নদী ও অমরাবতী নদী। কাবেরী নদীর সামগ্রিক দৈর্ঘ্য ৪৭৫ মাইল বা ৭৬৫ কিলোমিটার। মহীশূর শহরের পূর্বে এই নদী শিবসমুদ্রম দ্বীপ সৃষ্টি করেছে, যার অন্যদিকেই রয়েছে ৩২০ ফুট দীর্ঘ নয়নাভিরাম শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত। এই নদী নিবিড় সেচপ্রকল্প এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য উৎস।

কয়েক শতাব্দী ধরে কাবেরী নদী সেচসেবিত কৃষিব্যবস্থাকে পুষ্ট করে এসেছে। এই নদী দক্ষিণ ভারতের প্রাচীন রাজ্যগুলি ও আধুনিক নগরগুলির প্রাণস্বরূপ।

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত মধ্য-দক্ষিণ আফ্রিকার জলপ্রপাত। জিম্বাবুয়ে উত্তর-পশ্চিমাংশে ও জাম্বিয়ার দক্ষিণ-পূর্বদিকে অবস্থিত যৌথ নদী জাম্বেজি থেকে এ জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে। এটি উচ্চতায় ১০৮.৩ মিটার এবং প্রস্থে ১,৭০৩ মিটার।

যোগ জলপ্রপাত (ইংরেজি: Jog Falls) ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের শিবমোগ্গা জেলার একটি শহর। এই জলপ্রপাতটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৫৩ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। এই জলপ্রপাতটি সরাবতী নদীতে অবস্থিত।

যোগ জলপ্রপাত কোন নদীর উপর অবস্থিত

যোগ জলপ্রপাত ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের শিবমোগ্গা জেলার একটি শহর। এই জলপ্রপাতটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৫৩ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। এই জলপ্রপাতটি সরাবতী নদীতে অবস্থিত।

ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় কেন

ভারতের গাড়োয়াল হিমালয়ের বদ্রীনাথের কাছে নরপর্বত থেকে নীচের দিকে কুবের নামে এইরকম ঝুলন্ত উপত্যকা হিমবাহ দেখা যায় ।

ঝুলন্ত উপত্যকা | Hanging Valley

উপত্যকা হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে যে সমস্ত রকম ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, ঝুলন্ত উপত্যকা [Hanging Valley] হল তাদের মধ্যে অন্যতম ।

প্রধান নদীর সঙ্গে যেমন ছোটো ছোটো উপনদী এসে মেশে, সেই রকম প্রধান হিমবাহের সঙ্গে ছোটো ছোটো হিমবাহও মেশে । প্রধান হিমবাহের উপত্যকা খুব বড় ও গভীর হয় । তাই ছোটো হিমবাহের উপত্যকা প্রধান হিমবাহের উপত্যকার উপর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে । তখন একে ঝুলন্ত উপত্যকা [Hanging Valley] বলা হয়।

হিমবাহ সরে গিয়ে নদীর সৃষ্টি হলে ঝুলন্ত উপত্যকার মুখে প্রায়ই জলপ্রপাত গঠিত হয় ।

ঝর্ণা ও জলপ্রপাতের মধ্যে পার্থক্য

প্রাকৃতিক ঝর্ণা ও জলপ্রপাত দুটির মধ্যে কয়েকটি পার্থক্য রয়েছে। নিম্নলিখিত সম্পর্কে সেসব পার্থক্য সংক্ষেপে বলা হতে পারে:-

ঝর্ণাজলপ্রপাত
 ভূপৃষ্টের উপরিভাগ তল থেকে নিচের দিকে নামতে থাকা অথবা কোন খাড়া অংশ ফুঁড়ে বেরিয়ে আসলে ঝর্ণার সৃষ্টি হয়।হাঠাৎ খাড়া ঢাল থেকে নদীর জল যদি নিচে পতিত হয়, তাকে জলপ্রপাত বলা হয়।
প্রাকৃতিক ঝর্ণাগুলি আমাদেরকে সুন্দর দৃশ্য, শান্তিময়তা এবং জলের ঝলকানির মাধ্যমে মনোমুগ্ধ করে।জলপ্রপাতগুলি সাধারণত উচ্চতর এলাকাগুলি প্রদর্শিত করে এবং বৃহত্তর প্রাকৃতিক আকর্ষণ সৃষ্টি করে।
ঝর্ণা থাকতে পারে ক্ষুদ্র বা বড় উভয় আকারে।জলপ্রপাত বলতে গেলে বড় আকারের প্রাকৃতিক ঝর্ণা বোঝায়।
প্রাকৃতিক ঝর্ণা সাধারণত একটি ক্ষুদ্র জলপ্রপাত বা অন্য শব্দে বলতে গেলে ছোট জলপ্রপাত বোঝায়। এটি জমিয়ে থাকা জলের একটি প্রবাহের ফলে উত্পন্ন হয়। জলপ্রপাতগুলি মাধ্যমিকতার দিক থেকে ঝর্ণাগুলির চেয়ে বড় এবং প্রচুর পরিমাণে জল প্রস্তাবিত করে। অনেক সময় জলপ্রপাত একটি নদী বা নদীর শাখার মধ্যে দেখা যায়। 
ঝর্ণা ও জলপ্রপাতের মধ্যে পার্থক্য

বিশ্বের বিখ্যাত জলপ্রপাত, বিশ্বের বিখ্যাত জলপ্রপাত Pdf, পৃথিবীর বিখ্যাত জলপ্রপাত এর নাম

নংজলপ্রপাতউচ্চতাদেশ
এঞ্জেল জলপ্রপাত৯৭৯ মি.ভেনেজুয়েলা
তুগেলা জলপ্রপাত৯৪৮ মি.দক্ষিণ আফ্রিকা
মাত্তেনবাচ জলপ্রপাত৯৩০ মি.সুইজারল্যান্ড
ট্রেস হেরমানাস জলপ্রপাত৯১৪ মি.পেরু
ওলো উপেনা জলপ্রপাত৯০০ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উমবিল্লা জলপ্রপাত৮৯৬ মি.পেরু
স্কোরগা জলপ্রপাত৮৭৫ মি.নরওয়ে
ভিন্নুফসেন জলপ্রপাত৮৬০ মি.নরওয়ে
বালাইফসেন জলপ্রপাত৮৫০ মি.নরওয়ে
১০পুউকাওকু জলপ্রপাত৮৪০ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
১১জেমস ব্রুস জলপ্রপাত৮৪০ মি.কানাডা
১২ব্রোওন জলপ্রপাত৮৩৬ মি.নিউজিল্যান্ড
১৩স্ট্রুপেনফসেন জলপ্রপাত৮২০ মি.নরওয়ে
১৪রামনেফজেলফসেন৮১৮ মি.নরওয়ে
১৫বিহিলাউ জলপ্রপাত৭৯২ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
১৬কলোনিয়াল ক্রিক জলপ্রপাত৭৮৮ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
১৭মঙ্গেফসেন জলপ্রপাত৭৭৩ মি.নরওয়ে
১৮গোকতা ক্যাটারাক্টস৭৭১ মি.পেরু
১৯মুতারাজি জলপ্রপাত৭৬২ মি.জিম্বাবুয়ে
২০কজেলফোসেন৭৫৫ মি.নরওয়ে
২১জোহান্নেসবার্গ জলপ্রপাত৭৫১ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
২২ওসেমাইট জলপ্রপাত৭৩৯ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
২৩ক্লাউডক্যাপ জলপ্রপাত৭৩২ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
২৪ক্যাসকেড দি ট্রু দে ফার৭২৫ মি.ফ্রান্স
২৫ওলমাফসেন৭২০ মি.নরওয়ে
২৬মানওয়াইনুই জলপ্রপাত৭১৯ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
২৭কজেরাগফসেন৭১৫ মি.নরওয়ে
২৮আভালানচে বাসিন জলপ্রপাত৭০৭ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
২৯হ্যারিসন বাসিন জলপ্রপাত৭০৭ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
৩০হালোকু জলপ্রপাত৭০০ মি.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
৩১চেম্বারলাইন জলপ্রপাত৭০০ মি.নিউজিল্যান্ড
৩২দান্তেফোসেন৭০০ মি.নরওয়ে
৩৩ব্রুফোসেন৬৯৮ মি.নরওয়ে
৩৪স্পায়ারফোসেন৬৯০ মি.নরওয়ে
৩৫সাল্টো কুকেনাম৬৭৪ মি.ভেনেজুয়েলা
৩৬সাল্টো ইউতাজ৬৭১ মি.ভেনেজুয়েলা
৩৭লা চোর্রেরা জলপ্রপাত৫৯০ মি.কলম্বিয়া
বিশ্বের বিখ্যাত জলপ্রপাত 
আরো অন্যান্য সরকারি স্কিম সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

FAQ | জলপ্রপাত

Q1. জলপ্রপাত কি

Ans – নদীর গতিপথে কঠিন ও কোমল শিলা আড়াআড়িভাবে অবস্থান করলে নদীর প্রবল স্রোতে কোমল শিলা দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নীচু হয় আর কঠিন শিলা অল্প ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে খাড়াভাবে অবস্থান করে। এর ফলে নদী যখন খাড়া ঢাল বেয়ে নীচে প্রবলভাবে বেগে প্রবাহিত হয়, তখন তাকে জলপ্রপাত বা waterfalls বলে।

উদাহরণ—পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতটি হল সান্টো অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত। এটি রিও ও কারােনি নদীর ওপর অবস্থিত 979 মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট।

Q2. জলপ্রপাতের তলদেশে সৃষ্ট গর্ত কে কি বলে

Ans – জলপ্রপাতের তলদেশে সৃষ্ট গর্তকে প্লাঞ্জপুল বা প্রপাতকুপ বলা হয়।

Q3. ধুয়াধার জলপ্রপাত কোন নদীতে অবস্থিত

Ans – নর্মদা নদী দ্বারা গঠিত ধুয়াধার হলো একটি জলপ্রপাত যা মধ্যপ্রদেশের জবলপুর জেলায় অবস্থিত। এই জলপ্রপাতের নাম দুটি শব্দ থেকে এসেছে- “ধুয়ান” যার অর্থ ধোঁয়া এবং “ধার” যার অর্থ হলো প্রবাহ।

Q4. দশম জলপ্রপাত কোন নদীতে অবস্থিত

Ans – ভারতে দশম জলপ্রপাতটি কর্নাটক রাজ্যে অবস্থিত। এটি শরণাথ নদীর উত্তর ভাগে, শিমোগা ও উত্তর কন্নাড় জেলার মধ্যে অবস্থিত। দশম জলপ্রপাতটি ভারতের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং পর্যটক আকর্ষণ। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নয়নশীল জলপ্রপাত হিসাবে পরিচিত।

Q5. দুধ সাগর জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত

Ans – দুধ সাগর জলপ্রপাতটি ভারতের গোয়া রাজ্যের রাজধানী পানাজি থেকে 60 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি রাজ্যের অন্যান্য জায়গাগুলির সাথে যেমন পানাজি এবং মারগাও একটি সড়ক ও রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত।

আপনি কি চাকরি খুজঁছেন, নিয়মিত সরকারিবেসরকারি চাকরির সংবাদ পেতে ক্লিক করুন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাড়ার জন্য, ক্লিক করুন। হিন্দিতে শিক্ষামূলক ব্লগ পড়তে, এখানে ক্লিক করুন। এছাড়াও, স্বাস্থ, টেকনোলজি, বিসনেস নিউস, অর্থনীতি ও আরো অন্যান্য খবর জানার জন্য, ক্লিক করুন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।