গ্যাসের আচরণ দশম শ্রেণী প্রশ্ন উত্তর

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

সূচিপত্র

গ্যাসের আচরণ দশম শ্রেণী প্রশ্ন উত্তর, গ্যাস

আদর্শ গ্যাস কাকে বলে

যে গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে গ্যাসসূত্রসমূহ- বয়েল সূত্র, চার্লস সূত্র ও অ্যাভোগাড্রো সূত্র পুরোপুরি মেনে চলে, তাকে আদর্শ গ্যাস বলা হয়।

যে সকল গ্যাস গ্যাসের গতিতত্ত্বের মৌলিক স্বীকার্যসমূহ মেনে চলে এবং সকল তাপমাত্রায় ও চাপে বয়েল ও চার্লসের সূত্র মেনে চলে তাকে আদর্শ গ্যাস বলে।

অন্যভাবে বলা যায়, যে গ্যাস সব তাপমাত্রা ও চাপে PV = nRT এ সমীকরণটি মেনে চলে, তাকে আদর্শ গ্যাস বলা হয়।

আদর্শ গ্যাস হল ইতস্তত বিচরণকারী বিন্দুকণা সমষ্টি দ্বারা গঠিত তাত্ত্বিকভাবে প্রতিষ্ঠিত গ্যাস, যার কণাগুলির মধ্যে কেবল সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ হয়। আদর্শ গ্যাস তত্ত্ব অবস্থার সমীকরণ থেকে প্রাপ্ত আদর্শ গ্যাস সূত্র মেনে চলে। এই তত্ত্বটি আবার সংখ্যাতত্ত্বীয় বলবিদ্যার একটি সরল প্রয়োগ। তাই এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। আদর্শ গ্যাসের বৈশিষ্ট্য হলঃ

  • আদর্শ গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে গ্যাসের সূত্রগুলো ও PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে।
  • প্রকৃতিতে আদর্শ গ্যাসের কোনো অস্তিত্ব নেই।
  • আদর্শ গ্যাসের অণুগুলোর আয়তন পাত্রের আয়তনের তুলনায় নগণ্য ধরা হয়।
  • আদর্শ গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যে কোনো আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে না।
  • আদর্শ গ্যাসের সংকোচনশীলতা গুণাঙ্ক Z এর মান সর্বদা 1 হয়।

আদর্শ গ্যাসের অবস্থার সমীকরণটি লেখ

আদর্শ গ্যাসের সমীকরণটি হলো :

PV = nRT
এখানে,

  • P = গ্যাসের চাপ
  • n = গ্যাসের মোলসংখ্যা
  • R = আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক
  • V = গ্যাসের আয়তন
  • T = গ্যাসের পরম তাপমাত্রা
  • এক মোল গ্যাসের জন্য আদর্শ গ্যাসের সমীকরণটি হলো:
  • PV = nRT

আদর্শ গ্যাসের আয়তন গুনাঙ্কের মান আদর্শ গ্যাসের আয়তন গুনাঙ্কের মান কত

আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে আয়তন গুনাঙ্ক ও চাপ গুনাঙ্কের অনুপাত 1 l

ব্যাখ্যা:

আয়তন V0 ধ্রুবক রেখে, চাপ P0 থেকে Pt পর্যন্ত বাড়ানো হয়। 2. চাপ P0 স্থির রেখে, ভলিউম V0 থেকে Vt পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এর মানে হল প্রতিটি আদর্শ গ্যাসের আয়তনের ফ্যাক্টর এবং চাপের ফ্যাক্টর সমান।

আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে আয়তন গুনাঙ্ক ও চাপ গুনাঙ্কের অনুপাত 1 l

একটি আদর্শ গ্যাস হল একটি তাত্ত্বিক গ্যাস যা অনেকগুলি এলোমেলোভাবে চলমান বিন্দু কণার সমন্বয়ে গঠিত যা আন্তঃকণা মিথস্ক্রিয়া সাপেক্ষে নয়। আদর্শ গ্যাস ধারণাটি কার্যকর কারণ এটি আদর্শ গ্যাস আইন, রাষ্ট্রের একটি সরলীকৃত সমীকরণ মেনে চলে এবং পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। শূন্য মিথস্ক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা প্রায়শই শিথিল হতে পারে যদি মিথস্ক্রিয়াটি, উদাহরণস্বরূপ, সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক বা বিন্দু-সদৃশ সংঘর্ষ হিসাবে বিবেচিত হয়।

তাপমাত্রা এবং চাপের বিভিন্ন অবস্থার অধীনে, অনেক বাস্তব গ্যাস একটি আদর্শ গ্যাসের মতো গুণগতভাবে আচরণ করে, যেখানে গ্যাসের অণুগুলি (অথবা মনোটমিক গ্যাসের ক্ষেত্রে পরমাণু) আদর্শ কণার ভূমিকা পালন করে। অনেক গ্যাস যেমন নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নোবেল গ্যাস, কিছু ভারী গ্যাস যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড এবং বাতাসের মতো মিশ্রণকে আদর্শ তাপমাত্রা এবং চাপের পরামিতিগুলির বিস্তৃত পরিসরে যুক্তিসঙ্গত সহনশীলতার মধ্যে আদর্শ গ্যাস হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।

সাধারণভাবে, একটি গ্যাস উচ্চ তাপমাত্রা এবং নিম্ন চাপে একটি আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করে, কারণ আন্তঃআণবিক শক্তির কারণে সম্ভাব্য শক্তি কণার গতিশক্তির তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং অণুর আকার কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তুলনা গ্যাসের কাছে তাদের মধ্যে ফাঁকা জায়গা।

গ্রীন হাউজ গ্যাস কি, গ্রীন হাউস গ্যাস কাকে বলে

বায়ুমন্ডলের যে সকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সে সকল গ্যাসকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রাথমিক গ্রিনহাউস গ্যাস গুলোর মধ্যে আছে জলীয় বাষ্প,কার্বন ডাই অক্সাইড,মিথেন,নাইট্রাস অক্সাইড এবং ওজোন।

একটি গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম, কোন গ্যাসটি গ্রিন হাউস গ্যাস, কোন গ্যাসটি গ্রিনহাউস গ্যাস, কোন গ্যাসটি গ্রীন হাউজ গ্যাস, কোন গ্যাসটি গ্রীন হাউস গ্যাস, গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম, গ্রীন হাউস গ্যাস কোনটি

  • ১. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  • ২. মিথেন
  • ৩. জলীয়বাষ্প
  • ৪. ওজোন
  • ৫. সিএফসি (ক্লোরো-ফ্লোরো কার্বন)

প্রধান গ্রীন হাউস গ্যাস কোনটি

প্রধান গ্রীন হাউস গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইড Co2.

কোন গ্যাসটি গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়

হাইড্রোজেন গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।

একটি জৈব গ্রিনহাউস গ্যাসের নাম

জলীয় বাষ্প, মিথেন, কার্বন ডাই অক্সাইড এগুলো জৈব গ্রীন হাউস গ্যাস।

মিথেন ( CH4 ) একটি জৈব গ্রিনহাউস গ্যাস।

গ্যাস অণুর বেগ কোন তাপমাত্রায় শূন্য হয়

সমস্ত আণবিক গতি বন্ধ হয়ে যায় যদি তাপমাত্রা পরম শূন্যে কমে যায়, তাই গতিশক্তি –273°C উষ্ণতায় শূন্যের সমান হবে।

গ্যাস ধ্রুবকের si একক

গ্যাস ধ্রুবকের SI এককটি J.Mol⁻¹.K⁻¹ (জুল.মোল⁻¹.কেলভিন⁻¹)

  • আদর্শ গ্যাস সমীকরণের গাণিতিক রুপটি হল : pV = nRT
  • উপরোক্ত সমীকরণে p বোঝায় গ্যাসের চাপ, V বোঝায় গ্যাসের আয়তন, n বোঝায় মোল এককের সাপেক্ষে গ্যাসের পরিমাণ, R বোঝায় গ্যাস ধ্রুবক এবং T বোঝায় গ্যাসের উষ্ণতা (কেলভিন এককে)।
  • এখন উপরোক্ত সমীকরণে যে সকল ভৌতরাশি বর্ণিত রয়েছে তাদের প্রায় সকলেরই SI সিস্টেম অনুযায়ী নিজস্ব একক বর্তমান।
  • তেমনই, R অথবা গ্যাস ধ্রুবকের একটি নিজস্ব SI একক বিদ্যমান এবং সেইটি হল J.Mol⁻¹.K⁻¹ (জুল.মোল⁻¹.কেলভিন⁻¹)।

গ্যাসীয় অবস্থায় অণুর গতির অবস্থা, গ্যাসীয় অবস্থায় অণুর গতির অবস্থা সম্বন্ধে, গ্যাসীয় অবস্থায় অনুদের গতীয় অবস্থা

গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের কণার গতি, কঠিন ও তরল অবস্থায় পদার্থের কণার গতির চেয়ে বেশি হয়। এর কারণ এ অবস্থায় কণাগুলো অধিক শক্তি লাভ করে থাকে যা তাদের গতিশক্তি (Kinetic Energy) বৃদ্ধি করে। এসময় কণাগুলো, ধারণকারী পাত্রের গায়ে প্রচুর বল প্র‍য়োগ করে, ফলে চাপ অত্যন্ত বেশি হয়। তাপ আরো বৃদ্ধি করলে গ্যাসের গৃহীত শক্তির পরিমাণও আরো বৃদ্ধি পায় ( সেই সাথে কণাসমূহের গতিশক্তিও)। তবে তাপমাত্রা সাধারণত 3500 K এর চেয়ে বেড়ে গেলে পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় রুপান্তরিত হয়।

গ্যাসের গতি সম্বন্ধীয় অঙ্গীকারগুলি (assumptions) হল :

  • [i] গ্যাসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুগুলি সব কঠিন স্থিতিস্থাপক গোলক ।
  • [ii] একই গ্যাসের সব অণুগুলি একরকম ।
  • [iii] গ্যাসের অণুগুলির মোট আয়তন গ্যাসের আয়তনের তুলনায় নগণ্য ।
  • [iv] গ্যাসের অণুগুলির মধ্যে কোনো আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল কাজ করে না— তাই এদের কোনো স্থিতিশক্তি নেই এদের শক্তি সম্পূর্ণভাবে গতিশক্তি ।
  • [v] অণুগুলি সতত গতিসম্পন্ন এবং নিজেদের সঙ্গে সংঘর্ষ স্থিতিস্থাপক হওয়ায় ভরবেগ ও গতিশক্তি সংরক্ষিত থাকে ।
  • [vi] অণুগুলির মধ্যে সংঘর্ষ তাৎক্ষণিক ।
  • [vii] পরপর দুটি সংঘর্ষের মধ্যে পথগুলি সরলরেখা— ওই দুরত্বকে মুক্তপথ (Free path) বলে ।

গ্যাসের অনুগুলির গতিবেগ ও চাপের উপর উষ্ণতার প্রভাব লেখ

আবদ্ধ পাত্রে রাখা কোন গ্যাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে গ্যাসের অনুগুলির গতিবেগ বৃদ্ধি পায়। গ্যাস অনুগুলির গতিবেগ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পাত্রের দেওয়ালের সঙ্গে অনুগুলির ধাক্কা খাওয়ার হার বাড়ে।

গ্যাসের অনুগুলির গতিবেগ বাড়ার ফলে ওদের ভরবেগ বৃদ্ধি পায় | ফলে পাত্রের দেওয়ালে প্রযুক্ত বলের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। ফলে উষ্ণতা বাড়লে গ্যাসের চাপও বৃদ্ধি পায়।

উষ্ণতা বৃদ্ধি করলে গ্যাসের অণুর গড় গতিবেগ বৃদ্ধি পায়। ফলে পাত্রের দেওয়ালের সঙ্গে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পায়।পাত্রের দেওয়ালে গ্যাস অনুগুলির সংঘর্ষ জনিত কারণে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পায় আবার উষ্ণতা হ্রাস করলে গ্যাসের চাপ হ্রাস পায়। ◽স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি করলে চাপ হ্রাস পায় কারণ দেওয়ালের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের সংঘর্ষ সংখ্যা কমে। সুতরাং আয়তন রাস করলে চাপ বৃদ্ধি পায়।

গ্যাসের আয়তন প্রসারণ গুনাঙ্কের মান কত

চার্লসের সূত্র থেকে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রসারণ গুণাঙ্ক = 1/273/°c । তাপের প্রভাবে কঠিন তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের আয়তনের পরিবর্তন হয়।

স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের উষ্ণতা বাড়ানো হলে গ্যাসের আয়তন বেড়ে যায় এবং উষ্ণতা কমালে গ্যাসের আয়তন কমে যায়। আবার দেখা যায়, বিভিন্ন রকম কঠিন বা তরলের আয়তন উষ্ণতার প্রভাবে সমভাবে পরিবর্তিত হয় না। কিন্তু স্থির চাপে সমপরিমাণ উষ্ণতা বৃদ্ধি বা হ্রাসে প্রত্যেক গ্যাসের আয়তন একই মাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

গ্যাসের চাপ কাকে বলে

আবদ্ধ পাত্রে গ্যাসের অনুগুলো পাত্রে দেয়ালের চারপাশে যে বল প্রয়োগ করে তাকে গ্যাসের চাপ বলে।

গ্যাসের ভর আছে একটি উদাহরণ দাও

বাড়িতে যখন গ্যাসের সিলিন্ডার আনা হয় , তখন সেটি গ্যাস ভর্তি গ্যাস থাকে। সেটি খুব ভারী হয় । যখন সিলেন্ডার খালি হয় অর্থাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যায়। তখন হালকা হয়। এ থেকে বোঝা যায় গ্যাসের ভর আছে ।

জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয়

জৈব জ্বালানি কার্বনঘটিত যৌগ। এগুলো বায়ুমণ্ডলে দহনের ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুতে মিশে যায়। জীবশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে তৈরি গ্রিন হাউস গ্যাসে কার্বন – ডাই অক্সাইড ৪৯% ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি ১৪% ,মিথেন ১৮% , নাইট্রাস অক্সাইড ৬% ও অন্যান্য গ্যাস ১৩% থাকে।

এদের মধ্যে কলকারখানা ও যানবাহনে জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন – ডাই – অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বায়োগ্যাস এর একটি ব্যবহার উল্লেখ করো

বায়োগ্যাস হলো পচনশীল জৈববস্তুসমূহ হতে তৈরি গ্যাস। সব প্রাণীরই মল হতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এ গ্যাস তৈরি করা যায়। পশুর গোবর ও অন্যান্য পচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে পঁচানোর ফলে যে গ্যাস তৈরি হয় তাই হচ্ছে বায়োগ্যাস। তবে গৃহপালিত বা বাণিজ্যিকভাবে পালিত পশুপাখি এবং মানব মল সহজলভ্য বলে এগুলোই বেশি ব্যবহার করা হয়। এজাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে মিথেন গ্যাস। বায়োগ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট আবর্জনাটুকু উত্তম জৈব সার হিসেবে বেশ কার্যকরী।

বায়োগ্যাস বর্তমানে রান্নার গ্যাস হিসাবে ব্যবহার করা হয় ।

বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বায়োগ্যাসের অনেক ধরনের সুবিধা রয়েছে। যেমন –

  • অল্প জায়গায় এই প্লাণ্ট তৈরি করা যায়৷
  • এই প্লাণ্ট অনেকদিন টিকে থাকে এবং কাজ করে৷
  • আবর্জনা ও দুর্গন্ধমুক্ত স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে ওঠে৷
  • উপাদানগুলো পঁচে দুর্গন্ধ ছড়ায় না৷ মশা-মাছি জণ্মায় না৷
  • রাঁধুনীর শারীরিক ধকল কমে৷
  • জমির জন্য উন্নতমানের সার পাওয়া যায়৷
  • গ্রামের জীবনযাত্রায় আধুনিকতা আসে৷
  • বায়োগ্যাসের বর্জ্য জৈবসার হিসেবে ব্যবহার করা যায়৷
  • জ্বালানির জন্য গাছপালার উপর চাপ কম পড়ে।
  • অনবায়নযোগ্য শক্তির উপর চাপ কমে।
  • বায়োগ্যাসের কারণে বাড়িতে গবাদি পশুর খামার গড়তে উৎসাহিত হয়।
  • বায়োগ্যাসের বর্জ্য মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  • বায়োগ্যাস ব্যবহার করলে গ্রীনহাউজ গ্যাসের স্তর ক্ষয় কম হয়।
  • বায়োগ্যাসের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
  • এই শক্তি ব্যবহারের ফলে মিথেন গ্যাস তৈরি হয় যা চাষের কাজে ব্যবহৃত হয়।

বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান কি

বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হল মিথেন।

বাস্তব গ্যাস কাকে বলে

যে সমস্ত গ্যাস যে কোনো চাপ এবং তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV=nRT -কে সঠিকভাবে মেনে চলে না তাদের বাস্তব গ্যাস বলে।

ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা, ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা কবে ঘটে, ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা

১৯৮৪ সালের ২ রা ডিসেম্বর রাত্রিবেলা মধ্যপ্রদেশের ভোপালে কুখ্যাত MIC গ্যাস দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২ রা ডিসেম্বর রাত ১১:৩০ টা নাগাদ প্রথম গ্যাস লিক করে, যা মধ্যরাত ২:০০ টো (৩ রা ডিসেম্বর) পর্যন্ত চলে। ইউনিয়ন কার্বাইড ইন্ডিয়া লিমিটেডের গ্যাস প্ল্যান্ট থেকে বিষাক্ত মিথাইল আইসোসায়ানেট (MIC) গ্যাস লিক করে এবং এর ফলে ৩৭৮৭ জনের মৃত্যু ঘটে (সরকারি মতে) ও সাড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি লোক কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

পৃথিবীতে যতগুলি বিশাল বিশাল বিয়োগান্তক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে, ভোপালের ঘটনাটির ভয়াবহতার প্রশ্নে তালিকার শীর্ষে স্থান করে নিয়েছে এই ঘটনা। ভোপালের বেরাসিয়া রোডে সেনার সোসাইটিসের কালি প্যারেড অঞ্চলে ৮২ একর জুড়ে ইউনিয়ন কার্বাইড ইন্ডিয়া লিমিটেড কারখানাটি অবস্থিত।

এই সংস্থাটির সদর দপ্তর আমেরিকায়, তার নাম ইউনিয়ন কার্বাইড কর্পোরেশন (ইউ সি সি)। ভোপালের কীটনাশক বানানোর কারখানার গ্যাস মজুতের ট্যাঙ্ক থেকে ৪০ হাজার কিলোগ্রাম মিথাইল আইসো সায়ানেট (সংক্ষেপে এম আই সি বা মিক গ্যাস) নামক অত্যন্ত বিপজ্জনক গ্যাসসহ বেশ কিছু অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস বাধাহীনভাবে বেরিয়ে আশেপাশের অঞ্চলের প্রায় ৫,০০,০০০ মানুষকে প্রভাবিত করে। এমনকি নতুন প্রজন্মের মধ্যে ঐ বিষের প্রভাব দেখা দিয়েছে।

মোটর গাড়ির ধোঁয়ায় কোন গ্যাস পাওয়া যায়

গাড়ি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় যে বিষাক্ত গ্যাস থাকে, তা হলো কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস।

গাড়ির ইঞ্জিন চলে ফুয়েল দিয়ে। সেই ফুয়েল পোড়াতে চায় অক্সিজেন৷ ফুয়েলের সাথে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না থাকলে ফুয়েল ঠিকমত বার্ন করেনা। এসময় কালো ধোঁয়া বার হয় যা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস।

যে গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব, যে গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব অক্সিজেন সাপেক্ষে, যে গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব অক্সিজেন সাপেক্ষে 2 তার গ্রাম আণবিক গুরুত্ব হলো

যে গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব অক্সিজেন সাপেক্ষে 2 তার গ্রাম আণবিক গুরুত্ব হলো – 64g/mol

অক্সিজেনের তুলনায় গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব ব্যাখ্যা :

  • অক্সিজেনের আণবিক ওজন 32
  • আসুন অন্য গ্যাসকে সালফার হিসেবে গ্রহণ করি যার আণবিক ওজন 64
  • সালফারের বাষ্প ঘনত্ব অক্সিজেনের 2x বাষ্প ঘনত্ব হবে।
  • বাষ্প ঘনত্ব পদার্থের আণবিক ভর উপর নির্ভর করে কিন্তু আণবিক অবস্থার উপর নির্ভর করে না

stp তে একটি গ্যাসের, stp তে একটি গ্যাসের 112 ml আয়তনের ভর 0.22g, stp তে একটি গ্যাসের 112ml, stp তে একটি গ্যাসের 112ml আয়তনের ভর 0.22g, stp তে গ্যাসীয় এমন একটি যৌগের

STP -তে যেকোনো গ্যাসের 1 mol এর ভলিউম হলো 22.4 Litres ।

এবার , 112 mL ভলিউম মানে গ্যাসের mole হলো

তাহলে , 0.005 mole এর ওজন হলো 0.22 gram ।

তাহলে, 1 mole এর ওজন হলো :

তাহলে, গ্যাসের মোলার ভর হলো 44 gram.

stp তে হাইড্রোজেন গ্যাসের ঘনত্ব, STP-তে হাইড্রোজেন গ্যাসের ঘনত্ব 0.0898 g/L হলে SI এককে এই ঘনত্বের মান নির্ণয় করাে।​

প্রদত্ত,

STP-তে হাইড্রোজেন গ্যাসের ঘনত্ব 0.0898 g/L

নির্ণেয়,

গ্যাসের ঘনত্বের প্রদত্ত মানকে SI এককে পরিবর্তিত করা।

সমাধান,

আমরা নিম্নলিখিত গাণিতিক উপায়ে সহজেই প্রদত্ত সমস্যাটির সমাধান করতে পারি।

প্রথমেই আমাদের জানতে হবে, SI সিস্টেমে ঘনত্বের একক কি?

  • SI সিস্টেমে ঘনত্বের একক = kg/m³

এবার আমাদের জানতে হবে, প্রদত্ত একক এবং SI এককের মধ্যেকার গাণিতিক যোগসূত্র কি?

  • 1 g/L = 1 kg/m³

এবার আমরা সহজেই একক পরিবর্তন করতে পারব।

এখন,

1 g/L = 1 kg/m³

0.0898 g/L = 1 × 0.0898 = 0.0898 kg/m³

অতএব, SI এককে ঘনত্বের মান হল 0.0898 kg/m³

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

গ্যাসের আচরণ দশম শ্রেণী প্রশ্ন উত্তর

গ্রীন হাউজ গ্যাস কি, গ্রীন হাউস গ্যাস কাকে বলে
বায়ুমন্ডলের যে সকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সে সকল গ্যাসকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রাথমিক গ্রিনহাউস গ্যাস গুলোর মধ্যে আছে জলীয় বাষ্প,কার্বন ডাই অক্সাইড,মিথেন,নাইট্রাস অক্সাইড এবং ওজোন।

আপনি কি চাকরি খুজঁছেন, নিয়মিত সরকারিবেসরকারি চাকরির সংবাদ পেতে ক্লিক করুন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাড়ার জন্য, ক্লিক করুন। এছাড়াও, স্বাস্থ, টেকনোলজি, বিসনেস নিউস, অর্থনীতি ও আরো অন্যান্য খবর জানার জন্য, ক্লিক করুন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।