দশম শ্রেণির ভূগোল | Class 10 ভূগোল ও পরিবেশ প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণির ভূগোল

সূচিপত্র

দশম শ্রেণির ভূগোল | Class 10 ভূগোল ও পরিবেশ প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণির ভূগোল পার্ট 1

এই বিবৃতিগুলির মধ্যে কোনটি উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের অবক্ষয়ের বৈধ কারণ নয়?

(a) কৃষি সম্প্রসারণ।

(b) বড় আকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প।

(c) চারণ এবং জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ।

(d) দ্রুত শিল্পায়ন এবং নগরায়ন।

উত্তর: চারণ এবং জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ

নিচের কোন সংরক্ষণ কৌশল সরাসরি সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের সাথে জড়িত নয়?

(ক) যৌথ বন ব্যবস্থাপনা

(খ) বেজ বাঁচাও আন্দোলন

(c) চিপকো আন্দোলন

(d) বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সীমানা নির্ধারণ

উত্তর: বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সীমানা নির্ধারণ

দশম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম অধ্যায়

জীববৈচিত্র্য কি? জীববৈচিত্র্য মানব জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর:

জীববৈচিত্র্য পৃথিবীতে পাওয়া বিভিন্ন ধরনের প্রাণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি ইকোসিস্টেম, প্রজাতি এবং জেনেটিক স্তরে তারতম্যের একটি পরিমাপ। ক্রান্তীয় অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য প্রচুর। গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলগুলি পৃথিবীর পৃষ্ঠের 10 শতাংশ জুড়ে, তবে তারা বিশ্বের 90% প্রজাতির আয়োজক।

ওয়ার্ল্ড & ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি (বাঙ্গালী) ভোল-১

ওয়ার্ল্ড & ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি (বাঙ্গালী) ভোল-১

মানব জীবনে জীববৈচিত্র্যের অবদান

  • কৃষি – উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি খাদ্যের জন্য আমাদের চাহিদা পূরণ করে।
  • ব্যবসা ও শিল্পে তাদের অবদান
  • অবসরে কার্যক্রম
  • পরিবেশগত পরিষেবা

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণির ভূগোল

মানুষের ক্রিয়াকলাপ কীভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের অবক্ষয়কে প্রভাবিত করেছে? ব্যাখ্যা করা

উত্তর:

  • বিভিন্ন নদী উপত্যকা প্রকল্প উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতকে প্রভাবিত করেছে
  • অনেক অবৈধ খনন প্রকল্প উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতকে ধ্বংস করেছে
  • বনে অবকাশ যাপনের জন্য অনেক উন্নয়ন প্রকল্প নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে।
  • ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং স্থানের অভাবের কারণে বনাঞ্চলে অনেক বেশি মানবিক কর্মকাণ্ড মানব-প্রাণী সংঘর্ষের সৃষ্টি করেছে।

এস এস সি এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর ভূগোল

ভারতে সম্প্রদায়গুলি কীভাবে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও সুরক্ষিত করেছে তা বর্ণনা করুন।

উত্তর:

চিপকো আন্দোলন:

হিমালয়ের বিখ্যাত চিপকো আন্দোলন শুধুমাত্র বেশ কয়েকটি এলাকায় সফলভাবে বন উজাড়ের প্রতিরোধই করেনি বরং এটাও দেখিয়েছে যে দেশীয় প্রজাতির সাথে সম্প্রদায়ের বনায়ন ব্যাপকভাবে সফল হতে পারে।

কিছু কিছু সমাজ একটি নির্দিষ্ট গাছকে শ্রদ্ধা করে যা তারা অনাদিকাল থেকে সংরক্ষণ করে আসছে। ছোট নাগপুর অঞ্চলের মুন্ডা এবং সাঁওতালরা মহুয়া (বাসিয়া ল্যাটিফোলিয়া) এবং কদম্ব (অ্যান্টোকাফালাস ক্যাদাম্বা) গাছের পূজা করে। ওড়িশা ও বিহারের আদিবাসীরা বিয়ের সময় তেঁতুল (Tamarindus indica) এবং আম (Mangifera indica) গাছের পূজা করে। আমাদের অনেকের কাছে পিপল এবং বটগাছ পবিত্র বলে বিবেচিত হয়।

রাজস্থানের সরিস্কা টাইগার রিজার্ভে, গ্রামবাসীরা বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের উদ্ধৃতি দিয়ে খনির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। অনেক এলাকায়, গ্রামবাসীরা নিজেরাই আবাসস্থল রক্ষা করছে এবং স্পষ্টভাবে সরকারী সম্পৃক্ততা প্রত্যাখ্যান করছে। রাজস্থানের আলওয়ার জেলার পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দারা 1,200 হেক্টর বনকে ভৈরদেব ডাকাভ ‘সোনচুরি’ হিসাবে ঘোষণা করেছে, তাদের নিজস্ব নিয়ম ও প্রবিধান ঘোষণা করেছে যা শিকারের অনুমতি দেয় না এবং বন্যপ্রাণীগুলিকে বাইরের কোনও দখলের বিরুদ্ধে রক্ষা করে।

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণির ভূগোল

বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রতি ভালো অনুশীলনের উপর একটি নোট লেখ।

উত্তর:

ভারতে, যৌথ বন ব্যবস্থাপনা (JFM) প্রোগ্রাম ক্ষয়প্রাপ্ত বন ব্যবস্থাপনা এবং পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে স্থানীয় সম্প্রদায়কে জড়িত করার একটি ভাল উদাহরণ উপস্থাপন করে। ওডিশা রাজ্য যৌথ বন ব্যবস্থাপনার জন্য প্রথম রেজোলিউশন পাস করার পর থেকে এই প্রোগ্রামটি 1988 সাল থেকে আনুষ্ঠানিক অস্তিত্বে রয়েছে। JFM স্থানীয় (গ্রাম) সংস্থাগুলির গঠনের উপর নির্ভর করে যেগুলি বেশিরভাগ বন বিভাগ দ্বারা পরিচালিত ক্ষয়প্রাপ্ত বনভূমিতে সুরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বিনিময়ে, এই সম্প্রদায়ের সদস্যরা মধ্যস্থতামূলক সুবিধার অধিকারী হয় যেমন কাঠবিহীন বন উৎপাদিত এবং ‘সফল সুরক্ষা’ দ্বারা সংগ্রহ করা কাঠের অংশ। ভারতে পরিবেশগত ধ্বংস এবং পুনর্গঠনের গতিশীলতা থেকে স্পষ্ট শিক্ষা হল যে সর্বত্র স্থানীয় সম্প্রদায়গুলিকে কোনো না কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় জড়িত থাকতে হবে।

তবে স্থানীয় সম্প্রদায়গুলিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র পর্যায়ে আসার আগে এখনও অনেক দূর যেতে হবে। শুধুমাত্র সেইসব অর্থনৈতিক বা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড গ্রহণ করুন, যেগুলো জনকেন্দ্রিক, পরিবেশ-বান্ধব এবং অর্থনৈতিকভাবে ফলপ্রসূ।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা

বিভিন্ন কারণে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ তাপর্যপূর্ণ। তাই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। যে যে কারণে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ প্রয়ােজন সেগুলি নিম্নরূপ一

(১) জৈব সম্পদের জোগান বজায় রাখতে : বিভিন্ন জৈব সম্পদের (যেমন- খাদ্য ওষুধ, কাঠ) উৎসের ক্ষেত্রই হল জীববৈচিত্র্য। সেইসব জৈব সম্পদগুলির জোগান যাতে প্রকৃতিতে অক্ষুগ্ন থাকে সেজন্য জৈব পদার্থের সংরক্ষণ প্রয়ােজন।

(২) জলচক্রের ক্রিয়াশীলতাকে বজায় রাখতে : ভৌমজলের স্থিতিশীলতা ও মৃত্তিকাস্থ জলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে উদ্ভিদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তা ছাড়া জলের পৃষ্ঠ প্রবাহের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হল উদ্ভিদ। ফলে জলচক্রের ক্রিয়াশীলতা বজায় থাকা বহুলাংশে উদ্ভিদের সংখ্যার ওপর নির্ভরশীল।

(৩) মৃত্তিকার ক্ষয়রোধে ও গুণগত মান বজায় রাখতে : জীববৈচিত্র্য মৃত্তিকার ক্ষয়কে রােধ করে। মৃত্তিকায় বসবাসকারী বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ মৃত্তিকার গঠন, জলধারণ ক্ষমতা এবং পুষ্টিমৌল প্রভৃতির জোগান বজায় রাখে।

(৪) পুষ্টিমৌলগুলি চক্রায়মন বজায় রাখতে : বিভিন্ন পুষ্টিমৌলগুলি চক্রাকার পথে প্রকৃতি থেকে জীবদেহে এবং জীবদেহ থেকে পুনরায় প্রকৃতিতে আবর্তিত হয়। পুষ্টিমৌলের এই চক্রাকার আবর্তন যাতে বজায় থাকে সেক্ষেত্রে জীববৈচিত্র্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(৫) দুষণ কমাতে : জীববৈচিত্র্যের স্থিতিশীল পরিবেশের দূষণ কমাতে সাহায্য করে।

(৬) জলবায়ুর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে : স্থানীয় বা আঞ্চলিকভাবে জলবায়ুর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জীববৈচিত্র্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন—অরণ্যের পরিবেশ শীতল রাখতে ও বৃষ্টিপাত ঘটাতে উদ্ভিদ সাহায্য করে।

জীববৈচিত্র্য বিনাশের কারণ

সমগ্র বিশ্বেই জীববৈচিত্র্যের বিনাশ ঘটে চলেছে। United Nations Environment Programme-এর হিসেব অনুযায়ী এই বিশ্বে প্রায় 2.2 কোটি জীব প্রজাতি রয়েছে। আগামী 30 বছরের মধ্যে 70 লক্ষ জীবপ্রজাতি বিলুপ্ত হতে পারে। পাখি ও সরীসৃপ নানা প্রজাতির মধ্যে যথাক্রমে তিন-চতুর্থাংশ ও এক-চতুর্থাংশ বিলুপ্তির পথে। নির্বিচার অরণ্য ধ্বংসের ফলে মােট সপুষ্পক উদ্ভিদের প্রায় 10 শতাংশ আজ বিলুপ্তপ্রায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর এই বিলুপ্তির একাধিক প্রাকৃতিক এবং মনুষ্যসৃষ্ট কারণ রয়েছে। যেমন一

(১) জীববৈচিত্র্য বিলুপ্তির প্রাকৃতিক কারণসমূহ

জলবায়ুর পরিবর্তন : বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক যুগে একাধিকবার জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটেছে। এর পরিবর্তনের সাথে বিভিন্ন প্রজাতি আভিযােজন ঘটাতে না পারায় তাদের বিলুপ্তি ঘটেছে। কার্বনিফেরাস ও প্লিস্টোসিন যুগে সমগ্র পৃথিবী বরফাবৃত থাকায় অসংখ্য প্রজাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

অগ্ন্যুৎপাত : অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে সৃষ্ট লাভা প্রবাহে বহু প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে।

ধূমকেতুর পতন : মহাকাশ থেকে আগত ধূমকেতু পৃথিবীপৃষ্ঠে আছড়ে পড়লে সেখানকার জীবের মৃত্যু ঘটে।

বন্যা, খরা, ভূমিকম্প, সুনামি : বন্যা, খরা, ভূমিকম্প ও সুনামি ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে বহু প্রজাতির জীবের বিনাশ ঘটে ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

জীববৈচিত্র্য বিলুপ্তির মনুষ্যসৃষ্ট কারণসমূহ, জীববৈচিত্র্য হ্রাসের কারণ

আবাসস্থলের সংকোচন : পৃথিবীতে জনসংখ্যার অত্যধিক চাহিদা পূরণ করার জন্য নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস করা হচ্ছে। এর ফলে উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ও তার সঙ্গে বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থলগুলিও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক প্রাণীর বিচরণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা দরকার। আবাসস্থলের সংকোচন হলে তারা ঠিকমতাে প্রজনন করতে পারে না। মানুষের তথাকথিত উন্নয়নমূলক কার্যকলাপ, যেমন বনাঞ্চল কেটে কৃষিজমির সম্প্রসারণ, আবাসন প্রকল্প তৈরি, কলকারখানা স্থাপন প্রভৃতির জন্য অরণ্যাঞ্চল ক্রমেই সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে ও জীববৈচিত্র্যের বিনাশ ঘটছে।

বিদেশ থেকে আগত প্রজাতি : যে-কোনাে বাস্তুতন্ত্রের নিজস্ব গঠনবৈচিত্র্য থাকে। বাইরে থেকে হঠাৎ কোনাে প্রজাতি এলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের গঠন বিনষ্ট হয়। এতে স্থানীয় প্রজাতির বৈচিত্র্য ভীষণভাবে হ্রাস পায়। যেমন—পার্থেনিয়াম নামক গুল্ম ও কচুরিপানা বিদেশ থেকে এনে এদেশে স্থাপন করায় আমাদের বাস্তুতন্ত্র ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় খরগােশ আমদানি হওয়ার পর থেকে সেখানকার অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ বিনষ্ট হয়ে গেছে।

বন্যপ্রাণীর সংহার : বিভিন্ন বন্যজীবকে নির্বিচারে হত্যা করার ফলে সেই প্রজাতিগুলি ক্রমান্বয়ে বিপন্ন হয়ে পড়ছে। হাতির দাঁত, বাঘের চামড়া, গন্ডারের খড়গ প্রভৃতির জন্য সেই জীবদের এমন হারে হত্যা করা হয়েছে যে বর্তমানে তারা বিলুপ্তপ্রায় বলে গণ্য হচ্ছে।

অত্যধিক হারে উদ্ভিদ প্রজাতির আহরণ : বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি তাদের চাহিদা পূরণ করার জন্য বনাঞ্চল থেকে নির্বিচারে বিভিন্ন বৃক্ষলতা ও গুল্ম আহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে জীববৈচিত্র্যপূর্ণ বনাঞ্চল থেকে ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্মগুলি সংখ্যায় অতি দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।

বিভিন্ন প্রকারের দূষণ : সভ্যতার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিতে জলদূষণ, বায়ুদূষণ ও মৃত্তিকাদূষণের মাত্রা প্রভূত পরিমাণে বাড়ছে। এই দূষণের ফলে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃত্যু ঘটছে। প্রকৃতিতে প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পিছনে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত কীটনাশককেই দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। অধীক বায়ুদূষণের ফলে পােল্যান্ডের একটি জাতীয় উদ্যানে একবার ৪৩টি প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যায়। বর্তমানে চিলজাতীয় পাখির সংখ্যা হ্রাসের কারণও হল প্রকৃতির দূষণ।

পরিকল্পনাবিহীন উন্নয়ন : যে-কোনাে উন্নয়নমূলক কাজে হাত দেওয়ার আগে পরিবেশের ওপর তার প্রভাব সম্পর্কে সমীক্ষা করে নেওয়া প্রয়ােজন। ভারতে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বাঁধ, জলাধার, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়েছে, যেগুলির পরিবেশগত ঝুঁকি আগে থেকে বিশ্লেষণ করা হয়নি। এর ফলে এইসব পরিকল্পনা রূপায়ণে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ধ্বংস করা হয়েছে। কৃষিক্ষেত্র প্লাবিত হয়েছে, আদিবাসীরা বাস্তুভিটে হারিয়েছে এবং অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী চিরকালের জন্য বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

অপর্যাপ্ত আইনি ব্যবস্থা : জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য আজ পর্যন্ত সঠিক ও পর্যাপ্ত আইন প্রণয়ন করা হয়নি। ফলে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী নির্বিচারে নিধন করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রচলিত আইনগুলিও সঠিক পরিচালন ব্যবস্থার অভাবে তা প্রয়ােগ করা যাচ্ছে না। যতদিন না উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা হবে ও কঠোরভাবে তা বলবৎ করা হবে – ততদিন জীববৈচিত্র্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ অসম্ভব।

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

FAQ | জীববৈচিত্র্য

Q1. জাতীয় জীববৈচিত্র্য আইন কবে চালু হয়

Ans – ভারতে জীববৈচিত্র্য আইন প্রণীত হয় 2002 সালে 

Q2. আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস

Ans – ২২ শে মে, আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস।

Q3. জীববৈচিত্র্য শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন

Ans – ‘জীববৈচিত্র্য’ ইংরেজীর biodiversity শব্দটি ‘biological’ এবং ‘diversity’ শব্দদ্বয়ের সঙ্কোচন। এটি প্রথম চালু হয় 1985 – এ এবং চালু করেন National Research Council – এর Walter G. Rosen।


আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।