Site icon prosnouttor

সৌরজগৎ কাকে বলে, সৌরজগৎ এর গ্রহ কয়টি

সৌরজগৎ কাকে বলে, সৌরজগৎ এর গ্রহ কয়টি

সৌরজগৎ কাকে বলে, সৌরজগৎ এর গ্রহ কয়টি

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

সৌরজগৎ কাকে বলে

মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে। সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। সংক্ষেপে সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।

মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূর্ণিরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উচ্চাপিণ্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে।

সূর্য এবং এর গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু, উল্কা নিয়ে সূর্যের যে পরিবার তাকে সৌরজগৎ (Solar System) বলে। সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র হল সূর্য। সৌরজগতে ৮টি গ্রহ (বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন), ৪৯ টি উপগ্রহ, হাজার হাজার গ্রহাণুপুঞ্জ এবং লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু রয়েছে।

সৌরজগৎ এর গ্রহ কয়টি

সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ামক হল সূর্য। গ্রহ ও উপগ্রহসমূহ সূর্য এবং নিজেদের পারস্পরিক মহাকর্ষণ শক্তির দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করছে।

সূর্য (Sun)

সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ামক হল সূর্য। সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।

সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার। সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।

পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার। সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চতুর্দিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে।

সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুণ ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে।

বিরাট দূরত্বের জন্য সূর্যের অতি সামান্য তাপ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। সূর্যের কোন কঠিন বা তরল পদার্থ নেই। শতকরা ৫৫ ভাগ হাইড্রোজেন, শতকরা ৪৪ ভাগ হিলিয়াম এবং ১ ভাগ অন্যান্য গ্যাসে সূর্য গঠিত।

সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম। আণবিক শক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় সূর্যে অনবরত হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম এবং হিলিয়াম থেকে শক্তি তৈরি হচ্ছে। সূর্য প্রায় ২৫ দিনে নিজ অক্ষের উপর একবার আবর্তন করে এবং বৃহৎ বৃত্তাকার পথে প্রায় ২০ কোটি বছরের ব্যবধানে আপন গ্যালাক্সির চারদিকে পরিক্রমণ করে।

নিন্মে এই ৮টি গ্রহ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- 

বুধ (Mercury)

সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব প্রায় ৫৮ কোটি কিলোমিটার। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে বুধের সময় লাগে প্রায় ৮৮ দিন। আবার নিজের অক্ষের চারদিকে পাক খেতে বুধের সময় লাগে ৫৮ দিন ১৭ ঘণ্টা।

দিনের বেলায় বুধের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৪০০ সেলসিয়াসের এবং রাতে তাপমাত্রা হিমাংকের নীচে থাকে। বুধে বায়ুমণ্ডল, পানি, চৌম্বকত্ব ও জীবজন্ত নেই। বুধের কোনো উপগ্রহও নেই।

শুক্র (Venus)

সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার। ভোর রাতে পূর্ন আকাশে শুক্র মহকে বলা হয় শুকতারা। সন্ধ্যাবেলার পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা। শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই। পৃথিবী থেকে শুক্র গ্রহ ৪.৩ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

পৃথিবী থেকে শুক্র গ্রহ ৪.৩ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে শুক্রের ২২৫ দিন সময় লাগে। শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই।

পৃথিবী (Earth)

পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ। কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।

পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

চাঁদ (Moon)

পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার। চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিম্ন কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আর্বতন করে। চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৫ কিলোমিটার। ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন। চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়। চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম ব্রেভিউস।

চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো। চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে চাঁদ আলোকিত হয়। চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০ সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০° সেলসিয়াসের নীচে।

মঙ্গল (Mars)

সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার। সূর্যের চর্তুদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে মন্ডলের সময় লাগে প্রায় ৩৮৭ দিন। ডিমোন এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে। বৃত্তাকার কক্ষপণে ডিমোস প্রতি ৩০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড এবং ফোবস ৭ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে মঙ্গলকে একবার আবর্তন করে।

মঙ্গলে রয়েছে সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি নিকস অলিম্পিকা। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্থন প্রভৃতি গ্যাস রয়েছে। মঙ্গলের আকাশ নীল, মাটি লাল ও শুষ্ক। মঙ্গলের তাপমাত্রা ২০” সেলসিয়াস এর অধিক হয় না। তাপমাত্রা রাতে হিমাঙ্কের বহু নিচে নেমে যায়।

বৃহস্পতি (Jupiter)

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়। পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ গুণ বড়। সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার। বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর। বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ১৬টি। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম হয়েছে।

শনি (Saturn)

সূর্য থেকে শনির গড় দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে ২৯ বছর। এর ব্যাস প্রায় ১,২০,০০০ কিলোমিটার।

প্লুটো (Pluto)

প্লুটো সৌরজগতের নবম গ্রহ। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ৫০০ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস প্রায় ৬,০০০ কিলোমিটার। সূর্যের চারিদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্লুটোর সময় প্রয়োজন হয় ২৮৪ বছর ।

ইউরেনাস (Uranus)

দূরত্বের দিক থেকে সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ ও তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যার নাম গ্রীক পুরান থেকে নেয়া হয়েছে। সূর্য থেকে ইউরেনাস এর গড় দূরত্ব ২৯০ কোটি কিলোমিটার। ইউরেনাস এর গ্রহের সংখ্যা ৫টি এবং উপগ্রহের সংখ্যা ২৭টি। ৮৪ বছরে এটি সূর্যের চতুর্দিকে নিজ কক্ষপথে ঘুরে। এ গ্রহরেও শনির মত বলয় রয়েছে। তবে বলয়গুলো উজ্জ্বল নয়। কিলোমিটার।

নেপচুন (Neptune)

দূরত্বের দিক থেকে নেপচুন সৌরজগতের অষ্টম গ্রহ। সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৪৫১ এর ব্যায় প্রায় ৪৮,০০০ কিলোমিটার। এটি ১৬৫ বছরে একবার সূর্যের চারিপাকে নিজ কক্ষপথে ঘুরে। নেপচুনের এর গ্রহের সংখ্যা ২টি এবং উপগ্রহের সংখ্যা ১৪টি।

সৌরজগৎ এর চিত্র

সৌরজগৎ কি নিয়ে গঠিত

সৌরজগৎ এর সৌর বা Solar System এর Sol এর অর্থ সূর্য, যা প্রাচীন রোমান ভাষা থেকে আগত। অর্থাৎ সূর্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জগতই হচ্ছে সৌরজগৎ বা সোলার সিস্টেম। সৌরজগৎ সূর্য নামের একটি মাঝারী আকারের নক্ষত্র ও এর চারপাশে ঘুরতে থাকা ৮টি গ্রহ, এদের উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা, গ্রহাণু, ধুমকেতু ইত্যাদি নিয়ে গঠিত।

এসবকিছুই সূর্যকে কেন্দ্র করে একে নিয়মিত গতিতে প্রদক্ষিণ করছে, কিন্তু আদিম সভ্যতা ভাবতো পৃথিবী ই সবকিছুর কেন্দ্র ও একে কেন্দ্র করেই অন্যান্য নক্ষত্র, সূর্য ও গ্রহ আবর্তন করছে। আমাদের সৌরজগতে সূর্যই সব শক্তির উৎস। তাপ ও আলোর রুপে শক্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে এটি সৃষ্টির শুরু থেকেই। আমাদের সূর্য অবস্থান করছে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে, আর এটি এই গ্যালাক্সির ২০ হাজার কোটি নক্ষত্রের একটি। সূর্য তাঁর জগৎ নিয়ে প্রদক্ষিণ করছে এই গ্যালাক্সির কেন্দ্রকে।

অধিকাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকের মতে আমাদের সৌরজগতের উৎপত্তি সোলার নেবুলা থেকে। বিশাল গ্যাসের স্তুপ অভিকর্ষের টানে একজায়গায় জড়ো হতে থাকে, পরে কেন্দ্রে উৎপন্ন হয় সূর্যের আদি গঠন। এই আদি সূর্যকে ঘিরে চারপাশের বাড়তি গ্যাসগুলো ঘুরতে ঘুরতে চাকতির মতো একটা আকার ধারণ করে। পরে এই গ্যাসীয় চাকতির অধিকাংশ গ্যাসীয় উপাদানই সূর্য নিজের দিকে টেনে নেয়, কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় কিছু গ্যাস আবার ঘনীভূত হয়ে গ্রহ কণা গঠন করে।

সব গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু আর ধূমকেতুকে একত্রে গ্রহ কণা বা প্ল্যানেটেসিমাল বলে। সূর্য যখন পুরোপুরি সুগঠিত হয়ে পড়ে ও ফিউশন প্রক্রিয়ায় জ্বলতে শুরু করে, তখন সৌরবায়ুর প্রভাবে আশেপাশের অতিরিক্ত হালকা গ্যাস তথা হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ইত্যাদি উড়ে চলে যায়। আর সূর্যের কাছাকাছি থাকা গ্রহগুলোর ওপর থেকে এসব গ্যাসের আস্তরণও সরে যায়। এ কারণে সূর্যের কাছাকাছি থাকা ৪টি গ্রহ কঠিন। এদের স্থলজ গ্রহ বলে। কিন্তু মঙ্গলের পর থেকে বাকি গ্রহগুলোতে সৌরবায়ুর প্রভাব কম থাকায় সেগুলো গ্যাসীয় দানব হিসেবে রয়ে যায় আমাদের সৌরজগতে।

আমাদের সৌরজগতের মূল ও প্রধান উপাদান হচ্ছে সূর্য। মোট সৌরজগতের ৯৯.৮% ভর সূর্যের একাই বহন করে। বাকি ০.২% মিলে অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি! সূর্যের কাছে থেকে দূরে সাজালে ক্রমানুসারে ৮টি গ্রহ হচ্ছে, বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। ইংরেজিতে যাদের নাম Mercury, Venus, Earth, Mars, Jupiter, Saturn, Uranus ও Neptune।

পৃথিবী বাদে সবগুলোই রোমান দেবতা ও দেবীর নামানুসারে রাখা হয়েছে। মানে মিথোলজি আর অ্যাস্ট্রোনমি একে অপরের সাথে দারুণ ভাবে জড়িত! অধিকাংশ গ্রহের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে এদের এক বা একাধিক উপগ্রহ।

মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে বড় একটি জায়গা জুড়ে গ্রহাণুপুঞ্জ রয়েছে। গ্রহাণু হচ্ছে গ্রহের তুলনায় অনেক ছোট অনিয়মিত আকারের পাথরের চাঁই। এরা অনেক ছোট থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার বড় ও হতে পারে। সৌরজগতের আরেকটি উপাদান ধুমকেতু হচ্ছে বরফ ও পাথরের বিশাল পিণ্ড। সূর্যের কাছাকাছি এলে এর কেন্দ্রে থাকা বরফ গলে গ্যাসে পরিণত হতে থাকে, আর তা সৌর বায়ুর প্রভাবে সূর্যের বিপরীতে উড়ে যেতে থাকে। তখন ছুটে চলার সময় মনে হয় এর পেছনে লেজ গজিয়েছে।

সৌরজগৎ সম্পর্কে কিছু তথ্য

আরো পড়তে

ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ পরিচয় ক্লাস ১০

ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ পরিচয় (পদার্থবিদ্যা ও পরিবেশের ভূমিকা), ক্লাস 10 হল মধ্য শিক্ষা পরিষদ শিক্ষা (WBBSE) দ্বারা নির্ধারিত শারীরিক বিজ্ঞান ও পরিবেশের দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রমের উপর ভিত্তি করে সান্ত্রা পাবলিকেশনের পাঠ্যপুস্তক সিরিজের একটি খাঁটি বাংলা সংস্করণ পাঠ্য বই।

FAQ | সৌরজগৎ

Q1. সৌরজগৎ কি

Ans – সৌরজগৎ বলতে সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে গ্ৰহ , উপগ্ৰহ ও ধুমকেতু ইত্যাদিকে বোঝায় ।

Q2. সৌরজগৎ কে আবিষ্কার করেন

Ans – কোপারনিকাস (১৫৪০) সৌরজগৎ আবিষ্কার করেন।

Q3. সৌরজগৎ কি নিয়ে গঠিত

Ans – সৌরজগতের গ্রহ ৮ টি। যথা : বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউনেরাস ও নেপচুন। এছাড়াও প্লুটো নামের একটি বামন গ্রহ আছে।

Q4. সৌরজগৎ কোন গ্যালাক্সিতে অবস্থিত

Ans – সৌরজগৎ আসলে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সমতলে ৬০° হেলে আছে।

Q5. সৌরজগৎ বয়স

Ans – সৌরজগৎ বয়স ৪৫৬.৮ কোটি বছর।

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে
Exit mobile version