Site icon prosnouttor

পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

সূচিপত্র

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান | পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

রাসায়নিক গবেষণাগার অর্থ

রসায়নের গবেষণাগার বলতে যেখানে রসায়নের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা বা রিসার্চ করা হয়, তাকেই বলা হয়।

আর আপনি স্কুল বা কলেজস্তরে যদি ল্যাবরেটরি দেখেন বা দেখে থাকেন, তাহলে সেটা খুবই সাধারণ মানের একটি পরীক্ষাগার বা ল্যাব। এইসব ল্যাবে খুব সাধারণ স্তরের কিছু পরীক্ষা করা হয়। এইগুলোর সাথে একটি রিসার্চ ল্যাবের (মানে যেখানে গবেষণা করা হয়) অনেক পার্থক্য।

একটি স্কুল বা কলেজস্তরের ল্যাবরেটরিতে কি কি থাকে ?

রাসায়নিক ধর্ম কাকে বলে

কোনও পদার্থের এমন সব ধর্ম যেগুলি কেবলমাত্র রাসায়নিক পরিবর্তন বা বিক্রিয়ার সময় বা পরে পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ করা সম্ভব। সে সমস্ত ধর্ম কে পদার্থের রাসায়নিক ধর্ম বলে।

যেমন – দাহ্যতা, অম্লত্ব, ক্ষারত্ব ইত্যাদি।

পদার্থের ভৌত ধর্ম কাকে বলে

কোনো পদার্থের এমন সব ধর্ম যেগুলি পদার্থের নমুনার গাঠনিক কাঠামো পরিবর্তন না করেই পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ করা সম্ভব। সে সমস্ত ধর্ম কে পদার্থের ভৌত ধর্ম বলে।

যেমন – রঙ, চাপ, দৈর্ঘ্য ইত্যাদি।

রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে

যে পরিবর্তনে পদার্থের মূল গঠনের পরিবর্তন হয় এবং পদার্থটি এক বা একাধিক ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট নতুন পদার্থে পরিণত হয় সেই পরিবর্তনকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে ।

যে পরিবর্তনে কোন বস্তু বা পদার্থের আণবিক গঠন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়ে একটি নতুন পদার্থ তৈরি হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে এক বা একাধিক পদার্থ এক বা একাধিক নতুন এবং ভিন্ন পদার্থে পরিবর্তিত হয়।

রাসায়নিক পরিবর্তন একটি অপরিবর্তনীয় এবং স্থায়ী প্রক্রিয়া। পরিবর্তনের সময় পদার্থের ভর পরিবর্তিত হয়, হয় ভর যোগ করা হয় বা সরানো হয়। এছাড়া রাসায়নিক পরিবর্তনে শক্তিরও পরিবর্তন ঘটে। রাসায়নিক পরিবর্তনে তাপ শোষণ বা উৎপন্ন হতে পারে। এতে পরমাণুর সংখ্যা এবং ধরন স্থির থাকলেও তাদের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়।

রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ

যেকোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। নিম্মে রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণসমূহ দেওয়া হল:

রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলে কি কি দেখে বোঝা যায়,
রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলে কী কী দেখে, রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলে কী কী দেখে বোঝা যেতে পারে

রাসায়নিক পরিবর্তন করলে পদার্থের যে যে পরিবর্তন হয় তা নিয়ে আলোচনা করা হলো –

হোমবিজ্ঞান

রাসায়নিক পরিবর্তন কি? সংজ্ঞা ও উদাহরণ

যে পরিবর্তনে কোন বস্তু বা পদার্থের আণবিক গঠন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়ে একটি নতুন পদার্থ তৈরি হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে এক বা একাধিক পদার্থ এক বা একাধিক নতুন এবং ভিন্ন পদার্থে পরিবর্তিত হয়।

রাসায়নিক পরিবর্তন একটি অপরিবর্তনীয় এবং স্থায়ী প্রক্রিয়া। পরিবর্তনের সময় পদার্থের ভর পরিবর্তিত হয়, হয় ভর যোগ করা হয় বা সরানো হয়। এছাড়া রাসায়নিক পরিবর্তনে শক্তিরও পরিবর্তন ঘটে। রাসায়নিক পরিবর্তনে তাপ শোষণ বা উৎপন্ন হতে পারে। এতে পরমাণুর সংখ্যা এবং ধরন স্থির থাকলেও তাদের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়।

রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ

যেকোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। নিম্মে রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণসমূহ দেওয়া হল :

রাসায়নিক পরিবর্তনের বৈশিষ্ট্য

রাসায়নিক পরিবর্তনগুলো নিম্মোক্ত বৈশিষ্ট্য দ্বারা চিহ্নিত করা যেতে পারে:

রাসায়নিক পাচন কাকে বলে

রাসায়নিক পাচন হ’ল একপ্রকারের সাধারণ হাইড্রোলিসিস প্রক্রিয়া যার ফলে জলের সহায়তায় বৃহৎ অণু ভেঙ্গে সরলাকার ধারণ করে। বিভিন্ন প্রকার উৎসেচক এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

রাসায়নিক হজম বৃহৎ খাদ্যের অণুগুলিকে তাদের রাসায়নিক বিল্ডিং ব্লকে ভেঙ্গে ফেলে, যা পরে অন্ত্রের প্রাচীরের মাধ্যমে এবং সাধারণ সঞ্চালনে শোষিত হতে পারে। অন্ত্রের ব্রাশ বর্ডার এনজাইম এবং অগ্ন্যাশয় এনজাইমগুলি বেশিরভাগ রাসায়নিক হজমের জন্য দায়ী।

সাইটোকাইনিন এর রাসায়নিক নাম কি

সাইটোকাইনিন এর রাসায়নিক নাম 6-furfuryl amino purine.

হরমোন কে রাসায়নিক দূত বলা হয় কেন, হরমোন কে রাসায়নিক সমন্বয়ক বলা হয় কেন, হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলে কেন,
হরমোনকে রাসায়নিক সমন্বয় বলে কেন

উত্তর :হরমোন কে রাসায়নিক দূত বলার কারণ, হরমোন কোষে কোষে রাসায়নিক বার্তা প্রেরণ করে।তাই হরমোনকে রাসায়নিক দূত বা ম্যাসেঞ্জার বলে।

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে। হরমোন অতি অল্প পরিমাণে বিশেষ বিশেষ শারীরবৃত্তীয় কাজ সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। এরা উত্তেজক বা রোধক হিসেবে দেহের পরস্ফুিটন, বৃদ্ধি ও বিভিন্ন টিস্যুর কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যক্তির আচরণ, স্বভাব ও আবেগপ্রবণতার ওপরও হরমোনের প্রভাব অপরিসীম। এগুলো রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে উৎপত্তিস্থল থেকে দেহের দূরবর্তী কোনো কোষ বা অঙ্গকে উদ্দীপিত করে। এ জন্য হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলা হয়।

রাসায়নিক বন্ধন

একটি রাসায়নিক বন্ধন হল পরমাণু বা আয়নগুলির মধ্যে একটি স্থায়ী আকর্ষণ যা অণু এবং স্ফটিক গঠন করতে সক্ষম করে।

বন্ডটি আয়নিক বন্ডের মতো বিপরীত চার্জযুক্ত আয়নগুলির মধ্যে ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক বলের ফলে বা সমযোজী বন্ধনের মতো ইলেকট্রন ভাগ করে নেওয়ার ফলে হতে পারে। রাসায়নিক বন্ধনের শক্তি যথেষ্ট পরিবর্তিত হয়; “শক্তিশালী বন্ধন” বা “প্রাথমিক বন্ধন” যেমন সমযোজী, আয়নিক এবং ধাতব বন্ধন এবং “দুর্বল বন্ধন” বা “সেকেন্ডারি বন্ড” যেমন ডাইপোল-ডাইপোল মিথস্ক্রিয়া, লন্ডন বিচ্ছুরণ শক্তি এবং হাইড্রোজেন বন্ধন রয়েছে।

শক্তিশালী রাসায়নিক বন্ধন অংশগ্রহণকারী পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি বা স্থানান্তর থেকে উদ্ভূত হয়।

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

রাসায়নিক গণনা, রাসায়নিক গণনা প্রশ্নোত্তর

রাসায়নিক সমীকরণ কাকে বলে?

উঃ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিকারক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থের অন্তর্গত পরমাণুগুলির মধ্যে সমতা বজায় রেখে চিহ্ন ও সংকেতের সাহায্যে রাসায়নিক বিক্রিয়াটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার পদ্ধতিকে রাসায়নিক সমীকরণ বলা হয়।

যেমন-কার্বনকে অক্সিজেনে পোড়ালে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়। এটি একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া। এর সমীকরণ-: C + O2 = CO2

বিক্রিয়ক (Reactant) কাকে বলে?

উঃ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পদার্থ সমূহকে বিক্রিয়ক বলা হয়।

বিক্রিয়াজাত পদার্থ (Product) কাকে বলে?

উঃ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন পদার্থ সমূহকে বলা হয় বিক্রিয়াজাত পদার্থ।

ভরের সংরক্ষণ সূত্রটি লেখো।

উঃ যে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থসমূহের মোট ভর বিক্রিয়ক পদার্থসমূহের মোট ভরের সমান হয়। বিক্রিয়ার ফলে মোট ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না।

ঘনত্ব কাকে বলে?

উঃ একক আয়তনের বস্তুর ভরকে বলে ঘনত্ব।

পদার্থের ভর, ঘনত্ব ও আয়তনের মধ্যে সম্পর্কটি লেখো।

উঃ ঘনত্ব (d) = ভর (m)/আয়তন (V)

বা, ভর = আয়তন × ঘনত্ব

গ্যাসীয় পদার্থের আণবিক ওজন বা আণবিক ভর কাকে বলে?

উঃ প্রমাণ চাপ ও উষ্ণতায় 22.4 লিটার আয়তনের কোনো গ্যাসীয় পদার্থের ওজন যত গ্রাম হয়, ওজনের সেই সংখ্যাকে পদার্থের আণবিক গুরুত্ব বা আণবিক ওজন বা আণবিক ভর বলে।

যেমন- NTP-তে 22.4 লিটার O2 এর ওজন 32 গ্রাম। সুতরাং, O2 এর আণবিক গুরুত্ব = 32 গ্রাম।

গ্যাসের প্রমাণ ঘনত্ব (Density) কী?

উঃ NTP-তে 1 লিটার গ্যাসের গ্রামে প্রকাশিত ওজনকে গ্যাসটির প্রমাণ ঘনত্ব বলে।

যেমন-অক্সিজেনের প্রমাণ ঘনত্ব 1.43 গ্রাম/লিটার। অর্থাৎ NTP-তে 1 লিটার গ্যাসীয় অক্সিজেনের ওজন বা ভর = 1.43 গ্রাম।

গ্যাসের বাষ্পঘনত্ব (Vapour density) বা আপেক্ষিক ঘনত্ব কাকে বলে?

উঃ একই উষ্ণতায় ও চাপে কোনো গ্যাসের ওজন, সম আয়তন হাইড্রোজেন গ্যাসের ওজনের চেয়ে যতগুণ ভারী, সেই সংখ্যাকেই ঐ গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব বলে।

শক্তি ও ভরের পারস্পরিক রূপান্তর সম্পর্কিত আইনস্টাইনের সমীকরণটি লেখ।

উঃ E = শক্তি, m = ভর (গ্রামে প্রকাশিত) ও c = শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ হলে- E = mc2

গ্যাসের বাষ্পঘনত্ব (D) ও আণবিক ভরের (M) সূত্রটি লেখ।

উঃ আণবিক ভর = 2 × বাষ্পঘনত্ব বা M = 2D

গ্যাসের প্রমাণ ঘনত্ব ও বাষ্পঘনত্বের মধ্যে সম্পর্কটি লেখো।

উঃ প্রমাণ চাপ ও উষ্ণতায়,

গ্যাসের আপেক্ষিক ঘনত্ব বা বাষ্পঘনত্ব × H2 গ্যাসের ঘনত্ব = গ্যাসের প্রমাণ ঘনত্ব

বা, বাষ্পঘনত্ব × 0.089 = গ্যাসের প্রমাণ ঘনত্ব।

গ্রাম আণবিক আয়তন বা মোলার আয়তন বলতে কী বোঝ?

উঃ কোনো নির্দিষ্ট চাপ ও উষ্ণতায় এক গ্রাম অণু পরিমাণ যে কোনো গ্যাসের (মৌলিক বা যৌগিক) আয়তনকে গ্রাম আণবিক আয়তন বা মোলার আয়তন বলে।

মোল-এর সঙ্গে পদার্থের অণু-পরমাণুর সংখ্যা ও আয়তনের সম্পর্কগুলি লেখো।

উঃ প্রমাণ চাপ ও উষ্ণতায় মৌলিক বা যৌগিক সব গ্যাসের 1 মোল-এর আয়তন = 22.4 লিটার।

মোমবাতি জ্বালালে তা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়-এখানে কি ভরের সংরক্ষণ সূত্র মান্য হয়?

উঃ হ্যাঁ, এখানে ভরের সংরক্ষণ সূত্র মান্য হয়। মোমবাতি জ্বালালে তা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়-আপাতদৃষ্টিতে এটি দেখে মনে হতে পারে যে এখানে ভরের সংরক্ষণ সূত্র লঙ্ঘিত হয়। কারণ মোমবাতি জ্বালালে তা বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প উৎপন্ন করে, যা বাতাসে মিশে যায়। কিন্তু আমরা যদি একটি বদ্ধপাত্রে মোমবাতি জ্বালাই তাহলে দেখা যাবে যে মোমবাতি জ্বালার আগে ও পরে পাত্রের ওজন একই আছে। কারণ এক্ষেত্রে উৎপন্ন পদার্থগুলি বাতাসে মিশে যেতে পারে না।

সালফার পোড়ালে তা জ্বলতে জ্বলতে বাতাসে বিলীন হয়ে যায়-এখানে কি ভরের সংরক্ষণ সূত্র লঙ্ঘিত হয়?

উঃ সালফার বাতাসে পোড়ালে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সালফার ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে সালফার এবং সালফার যে পরিমাণ অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তার মোট ভর পরিমাপ করলে দেখা যাবে যা তা উৎপন্ন সালফার ডাই অক্সাইডের মোট ভরের সঙ্গে সমান। তাই এখানে ভরের সংরক্ষণ সূত্র লঙ্ঘিত হয় না।

খোলা জায়গায় কর্পূর রেখে দিলে তা উবে যায়-এখানে ভরের সংরক্ষণ সূত্র লঙ্ঘিত হয় কি?

উঃ কর্পূর খোলা জায়গায় রেখে দিলে তা বাষ্পে পরিণত হয় এবং বাতাসে মিশে যায়। কর্পুর উদ্বায়ী বলে ভৌত পরিবর্তনের ফলে বাষ্পে পরিণত হয়। এখানে কর্পূর কঠিন অবস্থা থেকে সম পরিমাণ গ্যাসীয় কর্পূরে পরিবর্তিত হয়। ভরের সংরক্ষণ সূত্রের কোনো ব্যাঘাত হয় না।

লোহায় মরচে পড়া থেকে ভরের সংরক্ষণ সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।

উঃ লোহার সঙ্গে অক্সিজেন এবং জলীয় বাষ্প যুক্ত হয়ে সোদক ফেরিক অক্সাইড গঠন করে-যা থেকে মনে হতে পারে যে ভরের বৃদ্ধি ঘটেছে। কিন্তু হিসাব করলে দেখা যায় যে লোহার সঙ্গে যুক্ত অক্সিজেন এবং জলীয় বাষ্পের মোট ওজন, উৎপন্ন মরিচার ওজনের সমান হয়। অর্থাৎ বিক্রিয়ার আগে ও পরে মোট ভর একই থাকে।

ম্যাগনেসিয়াম ফিতে জ্বালালে কিছু ছাই পড়ে থাকে? এতে ভরের সংরক্ষণ রক্ষা হল কি?

উঃ ম্যাগনেসিয়াম ফিতেকে বাতাসে জ্বালালে বায়ুর উক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সঙ্গে উত্তপ্ত ম্যাগনেসিয়াম বিক্রিয়া করে MgO এবং MgN3 উৎপন্ন করে-যা ছাই হিসাবে পড়ে থাকে। কিন্তু বিক্রিয়ার অংশগ্রহণকারী সমস্ত বিক্রিয়কগুলির মোট ওজন পরিমাপ করলে দেখা যায় তা উৎপন্ন বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির মোট ভরের সমান। তাই এখানে ভরের সংরক্ষণ সূত্র লঙ্ঘিত হয় না।

পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে?
উঃ যে প্রক্রিয়ায় একটি পদার্থ বিশ্লিষ্ট হয়ে সম্পূর্ণ পৃথক ধর্মযুক্ত একাধিক পদার্থ উৎপন্ন হয় বা একাধিক পদার্থ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ পৃথক ধর্মযুক্ত এক বা একাধিক পদার্থ উৎপন্ন হয়, তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলা হয়।

আপনি কি চাকরি খুজঁছেন, নিয়মিত সরকারিবেসরকারি চাকরির সংবাদ পেতে ক্লিক করুন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাড়ার জন্য, ক্লিক করুন। এছাড়াও, স্বাস্থ, টেকনোলজি, বিসনেস নিউস, অর্থনীতি ও আরো অন্যান্য খবর জানার জন্য, ক্লিক করুন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে
Exit mobile version