Site icon prosnouttor

Model Activity Task Class 7 Science Part 8, মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

Model Activity Task Class 7 Science Part 8, মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

Model Activity Task Class 7 Science Part 8, মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে

সূচিপত্র

Model Activity Task Class 7 Science Part 8, মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

উষ্ণতা, উষ্ণতা কাকে বলে, উষ্ণতা কাকে বলে Class 7, উষ্ণতা কি

উষ্ণতা হলো বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা, যা স্থির করে যে, ওই বস্তুটি অন্য কোনো বস্তুকে তাপ দেবে না অন্য বস্তু থেকে তাপ গ্রহণ করবে।

উষ্ণতা কাকে বলে তাই এভাবেও বলা যায়, উষ্ণতা হলো বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা, যা তাপ প্রবাহের অভিমুখ নিয়ন্ত্রণ করে, দুটি বস্তু তাপীয় সংযোগে থাকলে, প্রথম বস্তুটি দ্বিতীয় বস্তু থেকে তাপ গ্রহণ করবে না দ্বিতীয় বস্তুকে তাপ দেবে- তা এই ভৌত ধর্ম দ্বারা নির্ধারিত হয়। প্রকৃতপক্ষে বলা যায় উষ্ণতা হলো তাদের ফল।

উষ্ণতার একক, উষ্ণতার SI একক কি, উষ্ণতার একক, উষ্ণতাৰ SI একক

উষ্ণতা মাপার যন্ত্রের নাম কি

থার্মোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে বস্তুর উষ্ণতা মাপা হয়।

উষ্ণতার পরম স্কেল কাকে বলে

বিজ্ঞানী কেলভিন তাপমাত্রার একটি নতুন স্কেল প্রবর্তন করেন যার শূন্য বিন্দু ধরা হয় পরম শূন্য উষ্ণতা কে অর্থাৎ -273°C-কে । এই স্কেল অনুযায়ী প্রতি ডিগ্রির মান ধরা হয় 1 ডিগ্রি সেলসিয়াস । উষ্ণতার এই স্কেলকে বলা হয় পরম স্কেল।

উষ্ণতার পরম স্কেল ও পরম শূন্য উষ্ণতার মধ্যে সম্পর্ক হল, পরমশূন্য উষ্ণতায় আসলে উষ্ণতার পরম স্কেলের নিম্ন স্থিরাঙ্ক।

পরম স্কেলের উষ্ণতার একককে K (কেলভিন) দ্বারা এবং উষ্ণতাকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
কোনো বস্তুর উষ্ণতা সেলসিয়াস স্কেলে t°C এবং পরম স্কেলে TK হলে , T= t+273

পরম উষ্ণতা কাকে বলে

পরম উষ্ণতা (ইংরেজি: Absolute temparature) বলতে বুঝানো হয় এমন এক তাপমাত্রা, যার চাইতে ঠান্ডা কোনো কিছু হতে পারে না। এই তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন গাণিতিকভাবে শূন্য হয়। এর মান শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

তাত্ত্বিকভাবে, পরম শূন্যের নিচে কোনো তাপমাত্রা থাকা সম্ভব নয়। এটা এমন একটা তাপমাত্রা, যেখানে পরমাণু নিজের গতি হারিয়ে ফেলে একেবারেই নিশ্চল হয়ে যায়। আর তাই পরম শূন্য তাপমাত্রায় আসে চরম স্থিতি, অর্থাৎ এনট্রপি হয় সর্বনিম্ন।

পরম শূন্য উষ্ণতা কাকে বলে, পরমশূন্য উষ্ণতা কাকে বলে

চার্লসের সূত্রানুযায়ী, স্থির চাপে -273°C উষ্ণতায় যে-কোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়ে যাবে। এই উষ্ণতাকে পরম শূন্য উষ্ণতা বা Absolute zero temperature বলা হয়।

চার্লসের সূত্র থেকে পরমশূন্য উষ্ণতার মান, চার্লসের সূত্র থেকে পরমশূন্য উষ্ণতার মান নির্ণয় করো

সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করলে পরম শূন্য উষ্ণতার মান হয় -273.15°C। ফারেনহাইট স্কেলে পরম শূন্য উষ্ণতার মান -459.4°F। যদিও বাস্তবে এরূপ ঘটে না কারণ এই উষ্ণতায় পৌঁছানোর অনেক আগেই গ্যাস তরলে পরিণত হয়, আর তরলের ক্ষেত্রে চার্লসের সূত্র প্রযোজ্য হয় না।

পরম শূন্য তাপমাত্রা(Absolute Zero) হচ্ছে এই মহাবিশ্বের সম্ভাব্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাপমাত্রা মাপক যন্ত্রে এর মান হচ্ছে ০ কেলভিন অথবা -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা -৪৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। মহাবিশ্বে এর থেকে কম তাপমাত্রা হওয়া সম্ভব নয়।

ফারেনহাইট স্কেলে পরমশূন্য উষ্ণতার মান কত, পরম শূন্য উষ্ণতার মান কত

ফারেনহাইট স্কেল : ফরাসি বিজ্ঞানী গ্যাব্রিয়েল ড্যানিয়েল এই স্কেল আবিষ্কার করেন। এই স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে 32°F এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে 212°F ধরে মাঝের অংশকে 180-টি সমান ভাগে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ভাগকে 1°F বলে।

ফারেনহাইট স্কেলে পরমশূন্য উষ্ণতার মান -459.4°F।

সেলসিয়াস স্কেলে পরমশূন্য উষ্ণতার মান কত, পরমশূন্য উষ্ণতার মান, পরমশূন্য উষ্ণতার মান কত

সেলসিয়াস স্কেল : সুইডিস বিজ্ঞানী আন্দ্রে সেলসিয়াস এই স্কেল আবিষ্কার করেন। এই স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে 0°C এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে 100°C ধরে মাঝের অংশকে 100টি সমান ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে 1°C বলে।

সেলসিয়াস স্কেলে পরম শূন্য উষ্ণতা -273°C ।

কেলভিন স্কেলে পরমশূন্য উষ্ণতার মান কত

কেলভিন স্কেলে পরম শূন্য হল 0K, সম্ভাব্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ।

আদর্শ গ্যাসের পরম শূন্য উষ্ণতার আয়তন কত, পরমশূন্য উষ্ণতায় আদর্শ গ্যাসের আয়তন কত, পরমশূন্য উষ্ণতায় আদর্শ গ্যাসের চাপ কত

সুতরাং, আয়তন 0 হয়ে যায় শুধুমাত্র যখন তাপমাত্রা = 0K=−273

চার্লসের সূত্রানুযায়ী, -273 °C উষ্ণতায় কোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়ে যায়। যদিও প্রকৃতপক্ষে বাস্তবে এরূপ ঘটে না কারণ ওই উষ্ণতায় পৌঁছােনাের অনেক আগেই গ্যাস তরলে পরিণত হয় এবং তরলের ক্ষেত্রে চার্লসের সূত্রটি প্রযোজ্য নয়। তাই বাস্তবে কোনো গ্যাসকে পরম শূন্য উষ্ণতা পর্যন্ত ঠান্ডা করে গ্যাসের আয়তন শূন্য করা যায় না।

আপেক্ষিক আর্দ্রতা সঙ্গে উষ্ণতার সম্পর্ক

বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতা নির্ভর করে বায়ুর উষ্ণতার উপর ।

বায়ুর উষ্ণতা বেড়ে গেলে তার জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। সুতরাং, সেই অবস্থায় বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে যায়। আবার বায়ুর উষ্ণতা কমে গেলে তার জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতাও কমে যায়।

সুতরাং তখন বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতাও বাড়ে। এজন্য বলা হয় যে, বায়ুর উষ্ণতা এবং এর আপেক্ষিক আর্দ্রতার মধ্যে একটি বিপরীত সম্বন্ধ আছে।

বায়ুর উষ্ণতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতার সম্পর্ক ব্যাস্তানুপাতিক – অর্থাৎ বায়ুর উষ্ণতা বাড়লে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে এবং বায়ুর উষ্ণতা কমলে আপেক্ষিক আদ্রতা বাড়ে । আপেক্ষিক আর্দ্রতার সাহায্যে কোনও স্থানের বায়ুর আপেক্ষিক স্যাঁতস্যাঁতে ভাব মাপা হয় ।

উষ্ণতা বৃদ্ধি করলে গ্যাসের অনুগুলির গতিশক্তি কি পরিবর্তন হয়

উত্তর: উষ্ণতা বৃদ্ধি করলে গ্যাসের অণুর গড় গতিবেগ বৃদ্ধি পায়। ফলে পাত্রের দেওয়ালের সঙ্গে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পায়। পাত্রের দেওয়ালে গ্যাস অনুগুলির সংঘর্ষ জনিত কারণে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পায় আবার উষ্ণতা হ্রাস করলে গ্যাসের চাপ হ্রাস পায়।

স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি করলে চাপ হ্রাস পায় কারণ দেওয়ালের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের সংঘর্ষ সংখ্যা কমে। সুতরাং আয়তন হ্রাস করলে চাপ বৃদ্ধি পায়।

উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক, উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়া, উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায় কেন, উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক হার বৃদ্ধি পায় কেন

উত্তর: বিক্রিয়া শুরু করতে শক্তি প্রয়োজন। উষ্ণতা বাড়লে অণুদের গতিশক্তি বাড়ে, তখন রাসায়নিক ব্রিক্রিয়া তাড়াতাড়ি ঘটে।

উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায় ,কারণ কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার উষ্ণতা বৃদ্ধি করলে বিক্রিয়ক সমূহের গতিশক্তি বেড়ে যায় এবং বিক্রিয়ক অনুগুলি দ্রুত গতিতে ছোঁটাছুটি শুরু করে , সেই কারণে বিক্রিয়ক অনুগুলির মধ্যে সংঘর্ষের পরিমাণ ও বেড়ে যায় এবং সংঘর্ষের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ফল হল বিক্রিয়ার হারের বৃদ্ধি ঘটা। আর সেই কারণেই উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায়।

একটি বস্তুর উষ্ণতা, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 c হলে ফারেনহাইট, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 c হলে ফারেনহাইট স্কেল, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 c হলে ফারেনহাইট স্কেলের মান কত, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 ডিগ্রি, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 ডিগ্রি c হলে ফারেনহাইট স্কেল, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 ডিগ্রি ফারেনহাইট, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 ডিগ্রি ফারেনহাইট স্কেলের মান কত হবে, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে, একটি বস্তুর উষ্ণতা 40 ডিগ্রি হলে

C/5=(F-32)/9=(k-273)/5 সূত্রটি ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে C হচ্ছে সেন্টিগ্রেড স্কেলে তাপমাত্রা, F হচ্ছে ফারেনহাইট স্কেলে ও K হচ্ছে কেলভিন স্কেলে তাপমাত্রা।

উপরের সূত্র থেকে 40 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা, ফারেনহাইট স্কেলে 104 ডিগ্রী ফারেনহাইট হবে।

তাপ ও উষ্ণতার পার্থক্য

তাপউষ্ণতা
তাপ হল এক প্রকার শক্তি।উষ্ণতা কোনো বস্তুর তাপীয় অবস্থা।
তাপ হল উষ্ণতার কারণ।উষ্ণতা হল তাপের ফল।
দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হওয়া সত্ত্বেও তাদের উষ্ণতা আলাদা হতে পারে।দুটি বস্তুর উষ্ণতা এক হলেও তাদের তাপের পরিমাণ আলাদা হতে পারে।
দুটি বস্তুর মধ্যে তাপের আদান প্রদান তাদের তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না।দুটি বস্তুর মধ্যে তাপের আদান প্রদান বস্তু দুটি উষ্ণতার পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে।
বস্তু দ্বারা গৃহিত বা বর্জিত তাপের পরিমাণ ক্যালরি মিটার যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়।থার্মোমিটারের সাহায্যে বস্তুর উষ্ণতা মাপা হয়।
CGS পদ্ধতিতে তাপের একক ক্যালরি এবং SI পদ্ধতিতে তাপের একক জুল।CGS পদ্ধতিতে উষ্ণতার একক ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং SI পদ্ধতিতে উষ্ণতার একক কেলভিন।
তাপ ও উষ্ণতার পার্থক্য

তাপ ও উষ্ণতার মধ্যে সম্পর্ক

আরো অন্যান্য অতি জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

সেলসিয়াস স্কেল : সুইডিস বিজ্ঞানী আন্দ্রে সেলসিয়াস এই স্কেল আবিষ্কার করেন। এই স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে 0°C এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে 100°C ধরে মাঝের অংশকে 100টি সমান ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে 1°C বলে।

আপনি কি চাকরি খুজঁছেন, নিয়মিত সরকারিবেসরকারি চাকরির সংবাদ পেতে ক্লিক করুন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাড়ার জন্য, ক্লিক করুন। এছাড়াও, স্বাস্থ, টেকনোলজি, বিসনেস নিউস, অর্থনীতি ও আরো অন্যান্য খবর জানার জন্য, ক্লিক করুন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট শেয়ার করতে
Exit mobile version